সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা। এই আনন্দ উৎসবকে ঘিরে চারদিকে চলছে নানা আয়োজন।
পলাশবাড়ী পৌর শহরের কালিবাড়ি মন্দির, দুলালঠাকুর মন্দির ,বরিশাল মন্দির,আমলাগাছি মন্দির ও জগরজানি মন্দির দূর্গাপুর মন্দিরে দেখা গেছে সেখানে প্রতিমার কাজে রঙ আর তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন দেবীর প্রতিচ্ছবি।
দূর্গা প্রতিমার পাশাপাশি গণেশ, কার্তিক, লক্ষী স্বরস্বতীর প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে হয়। মহিষাসুর, সিংহসহ সবার বাহনও কিন্তু কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই সেগুলোকেও দিতে হয় সমান গুরুত্ব। আর এসব মিলিয়েই পরিপূর্ণ হয় একটি দূর্গার প্রতিমা।
মহা ষষ্ঠীপূজার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে দূর্গাপূজা। ঢাঁকঢোল আর কাঁসর বাদ্যে দেবীর বোধন পূজার মধ্যদিয়ে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা চলছে। এ বছর দেবী দূর্গা কৈলাস থেকে দোলায় চেপে মর্তে ধামে আসছে। ৫ দিন নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে মর্তে থেকে কৈলাসে দেবী ফিরবেন ঘটকে।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটির সেক্রেটারি বাবু দিলিপ চন্দ্র সাহা বলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা। এই উপলক্ষে তারা ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।পলাশবাড়ীতে প্রতিবছর যেভাবে দূর্গাপূজা উদযাপন করা হয়। ঠিক একই ভাবে এবারও পূজা উদযাপন করা হবে এবং বিভিন্নভাবে আমাদেরকে সহযোগিতা করছেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণ।
পলাশবাড়ী উপজেলার আনছার ও ভিডিপির প্রশিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন এবছর পলাশবাড়ীতে মোট ৫৫ টি পূজা মণ্ডপের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩৩২ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য কাজ করছেন।এর পাশাপাশি গোবিন্দগঞ্জের তালুকানুপুর ও দরবস্ত ২টি ইউনিয়নে ১৯টি মন্ডপে ১২২জন আনসার ও ভিডিপি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন মণ্ডপে গিয়ে গিয়ে আনসার ভিডিপির সদস্যদেরকে তদারকি করছেন অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে ৮ জন, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ মণ্ডপে ৬ জন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান।
শ্বারদীয় দূর্গাপূজা যাতে করে কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়, সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলার পাশাপাশি আনসার ভিডিপি কাজ করে যাচ্ছে।
আসছে ১৩ই অক্টোবর রবিবার বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলা শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পলাশবাড়ীর শহরের করতোয়া নদীতে দূর্গার ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে এই উৎসবটি।