নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের বৈসম্য চলবেনা চলতে দেয়া হবেনা। বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশের পূর্বে আলোচনা সভায় একথা বলেন প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান (রাজন)।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শেষ হয়।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন।
পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল মালেক সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শওকত হোসেন হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান মোল্লা, সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান আলাল, মোঃ মোফাজ্জল হোসেন জমাদ্দার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনোয়ার হোসেন জিপু, সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সুজন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ খান, বরিশাল কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক মিজানুর রহমান মোল্লা, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন মনির, কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন , কলসকাঠী বিএনপি’র নেতা কামাল হাওলাদার প্রমূখ।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক এ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান মোল্লা বলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বিগত সৈরাচার সরকার মানুষকে নানা ভাবে হয়রানি লুটপাট করেছে এখন সময় এসেছে প্রত্যেকটি সন্ত্রাসীদের ধরে ধরে বিচারে আওতায় আনতে হবে। এসময় সামনের যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য বি এন পি এর সকল স্তরের নেতা কর্মীদের সজাগ থাকার আহব্বান জানান। লরাই এখনই শেষ হয়ে যায়নি সামনে আরও একটি লড়াই হতে পারে।
প্রধান অতিথি এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন,ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারের বিদায় হলেও তার প্রেতাত্মারা এখনো রয়ে গেছে। প্রশাসনের কেউ কোন পক্ষপাতিত্ব আচরণ এবং স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করলে তা মেনে নিবো না।
প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে প্রশাসনে সাড়ে ১২ লক্ষ লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ১০ লক্ষ স্বৈরাচারের দোসর আওয়ামী লীগের লোক রয়েছে। প্রশাসনের যারা এখনো দায়িত্বে রয়েছেন আপনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ যাতে বৈষম্যের শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
পুলিশে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এবং বিগত ১৫ বছরে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীদের যারা গুলি করে হত্যা করেছেন তাদের তালিকা আমাদের কাছে রয়েছে। আপনারা সাবধান হয়ে যান। কেউ কোন পক্ষপাতিত্ব আচরণ এবং স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করলে তা মেনে নেব না।
তিনি আরো বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান দীর্ঘদিন লন্ডনে রাজনৈতিক নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি অচিরেই বীরের বেশে দেশে ফিরবেন, নির্বাচনের মধ্যেদিয়ে নতুন নেতৃত্ব দেশ পরিচালনা করবে, আপাদত অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা মেনে কাজ করুন বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।