গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ছোটশিমুলতলা একতা পান চাষী সমবায় সমিতির নির্বাচন কে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ও সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপর উভয়পক্ষের মধ্যে বাকদন্ড হলেও কোন সংঘাত হয়নি পরে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
২৯ ডিসেম্বর রবিবার সকালে নির্বাচনের পক্ষে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন সমিতির সদস্যরা। তারা নির্বাচনের দাবী জানান অপরদিকে
পান বাজারের ইজারাদাররা উক্ত পান বাজারের মাঠে নির্বাচন বন্ধের পক্ষে অবস্থান করেন। এবং পান বাজারের মাঠের বাহিরে অন্য কোথাও নির্বাচন করুক তাতে আপত্তি নেই বলেও জানান।
এমন পরিস্থিতে নির্বাচনকে ঘিরে সংঘাত এড়াতে উপজেলা প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনীর ও স্থানীয় সচেতন মহলের সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
একতা পান চাষী বাজার সমবায় সমিতির সদস্যরা দাবী করেন,সমিতির বৈধ সদস্যদের নিয়ে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু একটি গোষ্ঠী আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে সমিতির সদস্য হওয়ার জন্য রাজনীতিক পেশীশক্তি ব্যবহার করছেন এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন।
অপরদিকে বাজারের পান চাষীরা দাবী করেন, বিগত সরকারের দোসরদের নিয়ে একতা পানচাষী সমবায় সমিতি করে হাট পরিচালনা করা হয়। যেখানে প্রকৃত পানচাষীরা সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা পূর্ণরায় সমিতিতে পানচাষীদের অন্তভুক্ত করার পর নির্বাচন চাই।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে দুটি পক্ষের মাঝে উত্তেজনা ও সংঘাতময় পরিস্থিতির সমূহ সম্ভবনা থাকায় উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচন স্থগিত করেন একতা পানচাষী বাজার সমবায় সমিতির নির্বাচন কমিশন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, এ নির্বাচনকে ঘিরে যেহেতু দুটি পক্ষের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সেহেতু পরবর্তীতে উভয়পক্ষ,স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বসে আলোচনা করে নির্বাচন পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।