
বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বেসরকারি এই এয়ারলাইন্সটি নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে। মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং পর্যটন খাতের সুবিধার্থে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন—শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার—ঢাকা ও যশোরের মধ্যে মোট ছয়টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এসব ফ্লাইটে ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে। প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে। ফিরতি পথে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর থেকে ছেড়ে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে। এছাড়া দিনের দ্বিতীয় ফ্লাইটটি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে ৫টা ৩০ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে এবং সন্ধ্যা ৬টায় যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
ভাড়ার বিষয়ে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকা-যশোর রুটে সর্বনিম্ন ওয়ান-ওয়ে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৪৯ টাকা। এছাড়া রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৪৯৮ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। যাত্রীদের চাহিদা এবং বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে ভবিষ্যতে এই রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমেই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে এয়ারলাইন্সটি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহীর মতো দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় চালু হওয়ায় রাজধানী ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হবে, যা এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে দ্রুত সময়ে রাজধানী ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে যাত্রী চাহিদা বাড়লে এই রুটে বিমান যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।