
ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ক্লাব ফুটবলে নিয়মিত গোল করার পাশাপাশি জাতীয় দলের জার্সিতেও তিনি গোল করার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। সম্প্রতি চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে গোল করে তিনি ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজের গোলসংখ্যা ৭১-এ উন্নীত করেছেন। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউলের সাথে যৌথভাবে তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন।
ম্যাচ শুরুর আগে এমবাপ্পের হাতে তুলে দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট। গত জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ১০ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার পাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ইন্টার মিলানের জালে বল জড়িয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন। ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের ব্যাক পাস থেকে স্লাইড করে তিনি এই গোলটি করেন।
তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড ভাঙতে এমবাপ্পেকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। তালিকার শীর্ষে থাকা পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোলসংখ্যা ১৪০। ২০২৩ সালে ইউরোপ ছেড়ে সৌদি ক্লাব আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর তিনি আর এই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাননি। অন্যদিকে, ১২৯ গোল নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন লিওনেল মেসি। তিনিও ২০২৩ সালে ইউরোপীয় ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এমবাপ্পের ৭১ গোলের তুলনায় মেসি ৫৮ গোল এবং রোনালদো ৬৯ গোল এগিয়ে আছেন। অর্থাৎ, মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে এমবাপ্পেকে আরও ৫৯টি এবং রোনালদোকে পেছনে ফেলতে ৭০টি গোল করতে হবে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এখন পর্যন্ত কেবল তিনজন ফুটবলার ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছেন। রোনালদো ও মেসির পর ১০৬ গোল নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন রবার্ট লেভানডফস্কি এবং ৯০ গোল নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন করিম বেনজেমা। এমবাপ্পের জন্য ইতিবাচক দিক হলো, তার সামনে থাকা এই চারজন ফুটবলারই এখন ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের বাইরে রয়েছেন, ফলে নিয়মিত গোল করে তাদের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পরও চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়েছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৩ সালে ইউরোপ ছাড়ার আগে মেসির নামের পাশে জমা হয় ১২৯ গোল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থাৎ মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে হলে এমবাপ্পেকে আরও ৫৯ গোল করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় দল কিংবা ক্লাব ফুটবল, প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ানোটাকে যেন রীতিমতো নিয়ম বানিয়ে ফেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি তারকা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বকাপের মঞ্চে রেকর্ড গড়ার পর ক্লাব ফুটবলেও দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আর রোনালদোকে পেছনে ফেলতে হলে করতে হবে আরও ৭০ গোল।