মো: ইমরান মোল্লা, প্রতিনিধি : ছাএবৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে এক দফা দাবিতে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়লেন শেখ হাসিনা । তবে এই পযর্ন্ত ই সমাপ্ত নয়। তাহার বিরুদ্ধে হয়েছে গণহত্যার মামলা। কেনো হলো গণহত্যা। কি অপরাধ ছিলো ছাএদের। কেনোই বা বানানো হলো আয়না ঘর। যারা সরকারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তাদের কে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় আয়না ঘরে। এমন কঠোর নির্যাতন যাহা ইতিহাসে বিরল। ছাএরা দীর্ঘ ৯ মাস ধরে মুক্তিযুদ্ধা কোঠা বাতিল নিয়ে আন্দোলন করেন । কখনো চিন্তা করেন নি পদত্যাগ করবেন শেখ হাসিনা। ১৫ ই জুলাই থেকে ৫ ই আগষ্ট পযর্ন্ত চলে তুমুল আন্দোলন । ছাএরা মাএ ২০ দিনে এতো ক্ষমতা পেলো কোথার থেকে । শেখ হাসিনা বলেন, আমি যদি সেনমার্টিন আমেরিকা কে দিতাম তবে, আমার গোদি ঠিক থাকতো। আমার দেশের সম্পত্তি আমি কেনো দিবো বাহিরের রাষ্ট্রকে। এটাই ছিলো কি আমার অপরাধ । জামায়াত , শিবির, জঙ্গিবাদী জনগণ ছাএদের উৎসাহ দিয়ে এক নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে পুরো বাংলাদেশে। অন্যান্য অপশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ছাএদের শক্তি হলো দ্বিগুন । মৃত্যুকে তোয়াক্কা না করে রাজপথে নামে ছাএ সমাজ। রাত নাই দিন নাই যে, পযর্ন্ত তাদের এক দফা দাবি কার্যকর না হয়, সে পযর্ন্ত রাজপথ ছাড়বে না বলে ছাএ সমাজ। আন্দোলন বন্ধ করার জন্য, পুলিশ বাহিনীরকে গুলি করার অনুমতি দিলেন শেখ হাসিনা। পুলিশের গুলিতে প্রাণ গেলো শত শত সাধারণ জনতার। অবশেষে পূরণ হলো ছাএদের মনের আশা। স্বাধীন হলো বাংলাদেশ । একটি অনুবাদ আছে, ফড়িং এর নতুন পাখনা উঠলে বেশী দিন টিকে থাকে না। দেশ স্বাধীন হবার পরেও দেশের মধ্যে ছাএ সমাজের খুবই ঘৃণীত তান্ডব চলছে। সড়ক পথে বাধা বিভিন্ন যানবাহন থেকে চাদাবাজি । মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করছেন না ছাএ সমাজ । তাদের চিন্তা ধারণা, তারা দেশ স্বাধীন করেছেন, দেশের মধ্যে তাদের কথাই এক মাএ চূড়ান্ত। এভাবে চলতে থাকলে দেশটি খুবই দ্রুত অন্ধকারের ছায়াতলে চলে আসবে ।