বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন ২ নং লতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু রাশেদ মনি গত ৫ আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত আত্মগোপনে, বিপাকে পড়তে হয় লতা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের,
বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির গডফাদার আবু রাশেদ মনি দুই নং লতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর চেয়ারম্যান এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কার্যালয় এলাকাবাসীর সকল সেবা থেকে বঞ্চিত হয় স্থানীয় জনসাধারণ ইউনিয়নের সচিব কে ডেকে আনে এবং চেয়ারম্যানের কথা জানতে চাইলে সচিব বলেন চেয়ারম্যানের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি পরে সচিবকে সাথে নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং চৌকিদার কে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে যান। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানতে চান কার্যক্রম চলে কিনা ও চেয়ারম্যান ৫ তারিখ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত পরিষদে উপস্থিত আছে কিনা তথ্য দেবার জন্য সাত তারিখে দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম কে ২ নংলতা ইউনিয়ন পরিষদে পাঠান। ৭ তারিখে মোঃ নজরুল ইসলাম সকাল ১০ ঘটিকার সময় পরিষদে কার্যালয় আসেন বন্ধ দেখে স্থানীয় লোকজন মেম্বার গ্রাম পুলিশ ও পরিষদের সদস্য সচিব কে নিয়ে পরিষদের তালা বদ্ধ থাকায় জনগণ পরিষদ থেকে কোন সেবা পাইনি। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা পরিষদের নিচে কিছু ব্যবসায়ীদের মৌখিক ও লিখিত মতামত নেন তারা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ ও মৌখিক ও লিখিত মতামত দেন উপস্থিত সকলের এই মর্মে লিখিত দেন যে গত 5 তারিখ থেকে ৭ তারিখ ইন তারিখ পর্যন্ত চেয়ারম্যান আবুল রাশেদ মনি ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে এলাকা মানুষের অনেক ভোগান্তির শিকার হয় সকলের মতামত পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এলাকার জনগণকে এই আশ্বাস দেন যে তিনি তিনি জনগণের লিখিত মতামত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে দিবেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তদন্ত সাপেক্ষেব্যবস্থা নেবেন। এই দুর্নীতি পরান চেয়ারম্যান মানুষের কাছ থেকে ডিপ টিউবলের কথা বলে জনগণের কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং গুসসো গ্রামের ঘর দিবে বলে জনগণের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছেন রাস্তা করবে বলে অনেক টাকা উঠিয়ে নিয়েছে।অনেক অভিযোগ ও অনিয়ম রয়েছে তদন্ত ।