যশোরে চাঁদার টাকা না দেয়ায় এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক গোলাম কবির অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি থানার ওসিকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।
আসামিরা হলো, শহরের খড়কির হাবিবুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া ইউনুস আলী, ঘোপ ধানপট্টির জলিল মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম সোহাগ, দড়াটানা হাসপাতাল মোড়ের নিউ ভৈরব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মেসিয়ার নুর ইসলাম ও মাগুরা শালিখার সমীখালি গ্রামের আব্দুল আজিজ মোল্যার ছেলে আরিফ হোসেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী শহরের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। চলতি বছরের ১ জুন রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে আসামিরা সোহাগকে দেখিয়ে বাহিনী প্রধান হিসেবে পরিচয় করে দেয়। এ সময় আসামি সোহাগ তার স্বামীকে দোকানের পাশে ডেকে নিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। ৫ জুন আসামিরা ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে গেলে দরজা খুলে দিলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বারান্দায় নিয়ে মুখে টেপ মেরে গ্রিলের সাথে বেঁধে রাখে। এরপর আসামিরা তার স্ত্রীকে ধর্ষণ ও চেকের পাতায় স্বাক্ষর করে নিয়ে যায়। আসামিরা প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী হওয়ায় আইনের আশ্রয় নেয়া সম্বব হয়নি। পরিবেশ অনুকূলে আসায় তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।