শেখ আসাদুজ্জামান আহমেদ টিটু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একটি মহল দাপট দেখিয়ে অজ্ঞাত কারনে সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত করায় সুপারসহ তার পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মহিপুর বাজার এ,কে বালিকা দাখিল মাদ্রাসায়। প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সুপার ওসমানগণি।
অভিাযোগ ও তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, মাদ্রাসার সভাপতি সেলিম মিয়া একটি চক্রের সাথে মিলিত হয়ে মিথ্যা অভিযোগ এনে গত ২৮/০৫/২০২৩ ইং তারিখে সুপার ওসমান গণিকে সাময়িক বরখাস্ত করেন এবং তার স্থলে সহকারি সুপার হযরত আলীকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব দেয়।
সরকারী নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত সুপারের যোগসাজসে সভাপতি সেলিম মিয়া সুপার ওসমানগণিকে সাময়িক বরখাস্ত ও ৬/৭ মাস যাবৎ বেতনভাতা না দেয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করাসহ বিচার পতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
সুপার ওসমানগণি বলেন, আমি
গত ১৫/১২/১৯৮৭ ইং তারিখে সুপারপদে যোগদান করিয়া সুনামের সহিত চাকুরী করিয়া আসিতেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অত্র
মাদ্রাসায় ২০১৪-২০১৫ ইং সালে সমাজবিজ্ঞান পদে ও অফিস সহকারী পদে নিয়োগ প্রদানের
সময় অত্র মাদ্রাসার সহঃ সুপার মোঃ হযরত আলী এবং সভাপতির যোগসাজসে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করে সহঃ সুপার মোঃ হযরত আলীকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব প্রদান করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর আমাকে স্বপদে বহাল রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও নতুন জনবল কাঠামো অনুযায়ী নব-সৃষ্ট পদে নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ প্রদানের জন্য উক্ত সহঃ সুপার মোঃ হযরত আলী এবং বর্তমান সভাপতি মোঃ সেলিম মিয়ার যোগসাজশে গত ২৮/০৫/২০২৩ ইং তারিখে আমাকে পুনরায় সাময়িক বরখাস্ত করে নিরাপত্তা কর্মী পদে বর্তমান সভাপতির আপন জেঠাতো ভাইকে গোপনে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, সভাপতির অনুসারীরা বিদ্যালয়কে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করেছে। এসবের প্রতিবাদ করলে চাকরিচ্যুত করার ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত সুপার হযরত আলীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কিছু বলতে পারবো না। এটা সভাপতি আর সুপারের ব্যাপার, আর মাদ্রাসা উন্নয়নের জন্য নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।
মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ সেলিম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি, ফলে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।