গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বোয়ালিয়া উত্তরপাড়ায় পিকনিক ও রাজনৈতিক প্রোগ্রামের কথা বলে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তির থেকে চাদা উঠায় ঐ গ্রামের মোঃ মামুন মন্ডল নামে এক যুবক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামুন মন্ডল ১ নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরো জানা যায় ১ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-আমিন মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক মিশকাত মন্ডল ও শিহাব মোল্লাকে সাথে নেয় মামুন মন্ডল এবং তাদের পরিচয়ে ১০\০১\২৫ ইং তারিখে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ও পিকনিকের কথা বলে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছে হইতে ১১,৫০০ টাকা চাঁদা উঠায় চাঁদার টাকা সব মামুন মন্ডল এর কাছে থাকায় পিকনিকের দিন সব খরচ মামুন মন্ডল এর করার কথা কিন্তু পিকনিকের দিন হঠাৎ মামুন মন্ডল জানায় আজ পিকনিক হবে না অতঃপর আলামিন, মিশকাত, শিহাব তাকে পিকনিকের কথা বললে সে উত্তপ্ত হয়ে হুমকি ধামকি দেখিয়ে তাদেরকে পরবর্তী ডেট দেয় কিন্তু কোন পিকনিক বা রাজনৈতিক প্রোগ্রাম সে করেনি। পরবর্তীতে গোপন সূত্রে জানা যায় মামুন মন্ডল পিকনিকের জন্য উঠানো ১১,৫০০ টাকা কতিপয় কিছু আওয়ামী লীগের ধূসর দের সাথে নিয়ে নেশা ও জুয়া খেলে সব টাকা শেষ দেয়। এমতাবস্থায় স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
নিম্নে পিকনিক ও রাজনৈতিক প্রোগ্রামের নামে নেওয়া টাকার হিসাব ও ডোনারের নাম প্রকাশ করা হলো:-
পিকনিকে অর্থ ডোনেট করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামসমূহ
১৷ আলী রায়হান সাহেব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ২০০০ টাকা।
২৷ বি ও বি ইট ভাটা প্রখ্যাত বিদ্দুত সাহেব,২০০০ টাকা
৩৷ এলপিজি গ্যাস পাম্প,১০০০ টাকা
৪৷ তেলের মিল ,১০০০ টাকা
৫। একরামুল ইসলাম বিশিষ্ট ঠিকাদার,১০০০ টাকা
৬৷ সানোয়ার হোসেন দিপু যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাইবান্ধা
জেলা বিএনপি ১০০০টাকা
৭৷ জুলেয় ইসলাম বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ১০০০ টাকা
৮৷ রবিউল কবির মনু সভাপতি গোবিন্দগঞ্জ পৌর বিএনপি
৫০০ টাকা
৯৷ আবু জাফোর লেলিন সাধারণ সম্পাদক পৌর বিএনপি
৫০০টাকা
১০। মোঃ সেন্টু ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর
বিএনপি ৫০০ টাকা
১১৷ সজল ইসলাম ৫০০ টাকা
১২। আলোম ইসলাম ৫০০ টাকা
সর্বমোট=১১৫০০ টাকা