বুক ভরা অভিমান আর কষ্ট নিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিষ্ঠুর এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেল মাগুরার ছোট বাচ্চা মেয়েটি।
বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা ফিরতে রাত হয়ে যাবে বিদায় বড় বোন বলেছিল পরের দিন বাড়িতে যেতে বড় বোন কিছুক্ষণের জন্য বাইরে গিয়েছিল। মেয়েটা বোনের রুমে গুটিসুটি হয়ে শুয়েছিল এককোনায় দুলাভাই ও ছিল রুমে বড় বোন ভেবেছিল তার হাজবেন্ড যেহেতু আছে তাহলে আর কোন সমস্যা হবে না।
তারপর দুপুরের দিকে বড় বোন বাসায় এসে দেখে রুমে লাইট নিভানো ঘুটঘুটে অন্ধকার তড়িঘড়ি করে লাইট জ্বালিয়ে দেখে তার আদরের ছোট বোনটা এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে চেহারাটা ফ্যাকাশে বড় বোন বুঝতে পারে না কি হয়েছে তার আদরের বোনটার সাথে।
অনেকক্ষণ পর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে বড় বোন শাশুড়িকে হাতজোড় করে তার বোনটাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
কিন্তু শাশুড়ি নিষেধ করেছিল ঘটনাটা যাতে জানাজানি না হয় হলে নাকি মানসম্মানে কমতি পড়বে তাদের।
তারপর বহু কষ্টে শাশুড়িকে রাজি করিয়ে বড় গুণ তার ছোট বোনটাকে নিয়ে আসে মাগুরা হাসপাতালে।
কোনরকম দায়সারা ভাবে হাসপাতালে দিয়েই শাশুড়ি পালিয়ে যায় সেখান থেকে।
হাসপাতালে আনার পর বাচ্চা মেয়েটার অবস্থা আরো বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে ব্যথায় কাতরাচ্ছিল শুধু বাচ্চা মেয়ে বয়স আর কত হবে ৭ কিংবা ৮ যৌনতার কিছুই বুঝে না পুতুল নিয়ে খেলার বয়স তার মেয়ের মা এবং বোনের সন্দেহ দুলাভাই সজীব এবং শশুর হিটুর প্রতি।
জোরালো সন্দেহ দুলাভাই সজীবের প্রতি যেহেতু তা রুমেই
ছিল বাচ্চা মেয়েটা মেয়ের মা এবং বোন মিলেই এখনো অসহায়ের মতো পড়ে আছে হাসপাতালে।
বাচ্চা মেয়েটার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো ব্যথায় একটু পরপর ককিয়ে উঠেছে শুধু।
বড় বোন এক পাশে হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটার মা মাথায় হাত ঝুলিয়ে দিচ্ছে আর আশ্বাস দিচ্ছে সব ঠিক হয়ে যাবে মা কিন্তু কিছুই ঠিক হয়নি।
মারা মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশ্যই মৃত্যুর কাছে হার মেনে নিলো বাচ্চাটিকে নিষ্ঠুর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেল।
আমাদের এই সমাজ আবার কবে পরিবর্তন হবে যারা দেশের প্রতিনিধি তাদেরকে অনুরোধ করে বলি আপনারা অন্যায়কে শক্তভাবে দমন করেন তানাহলে হাজারো এমন
মানুষ বোনের লাশ দেখতে হবে
এই ধর্ষকের বিচার বাংলার জমিনে অতি তাড়াতাড়ি দেখতে চাই।