মোঃ খলিলুর রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ
ইউপি চেয়ারম্যানের পর ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ, কম্পিউটারের সেট পিন্টার সহ ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে বেতন-ভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ৩নং বালাগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক সচিব তছলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩০-জানুয়ারী) দুপুরে বালাগ্রাম ইউনিয়নের ১১জন সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এই অভিযোগ দাখিল করেন। এছাড়াও অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গুলোকেও প্রেরন করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা, এলএসপি-৩ হতে প্রাপ্ত ডেক্সটপ কম্পিউটার সেট ও জেরক্স পিন্টার আত্মসাত। বিগত ০৭-১১-২০২২ইং তারিখে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের জামানতের ১ লক্ষ ৬৫ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত। ১৪-১২-২০২২ইং তারিখে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের জামানত ৯৮ হাজার ৩'শত টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত। গত ১২-০২-২০২৩ইং তারিখে সদস্যদের স্বাক্ষর জালিয়াতি বেতন ভাতা বাবদ 58 হাজার টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত। ১৬-০৪-২০২৩ইং তারিখে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে সদস্যদের সম্মানী বেতন ভাতা ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাত।
বর্তমানে ওই সচিব তছলিম উদ্দিন একই উপজেলার ১০নং কাঁঠালি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগ হাতে পেয়ে কাঠালী ইউনিয়ন পরিষদ গেলে তাঁকে না পাওয়ায় তাঁর কন্ট্রাক্ট নাম্বারে ০১৭২২-৭৩২৬৮০ যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সমিতির উপজেলা সভাপতি খায়রুল আজাদ মিঠুর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এগুলো অভিযোগ তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, একজন চেয়ারম্যানের বাইরে কোন কাজ করতে পারে না।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন ভেন্ডার এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জি আর সারোয়ার মুঠোফোনে বলেন, গত বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী একটি লিখিত অভিযোগ যাঁরা দিয়েছিল সেটা তাঁরা প্রত্যাহার করেছে । আর আজকে(মঙ্গলবার-৩০-জানুয়ারী) তাঁরা সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে।