সম্প্রতি বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি ও পূর্ব বগুড়ার কুখ্যাত সুদারু , ভূমি দস্যু ও নারী লিপ্সু আসলাম হোসেন এর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে এলাকায় যেমন হৈচৈ সহ ঘটনাটি যেমন হাস্যরসের কারণ হয়েছে তেমনি বগুড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও হাসির খোরাকে পরিনত হতে দেখা গেছে।
এই আসলাম একটি চারকোল খড়ির খুচরা বিক্রেতা থেকে আজ কোটিপতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে শুধু সুদের টাকায়।এই টাকার যোগান এসেছে তার পিতা সাবেক মোটর শ্রমিক জহুরুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হবার পর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত অনুদানের টাকা থেকে।এই অনুদানের টাকা পাবার পর থেকে প্রকাশ্যে সুদ ব্যবসা শুরু করে।এই ব্যবসায় সে এতটাই উন্নতি করে যে সে একজন দাম্ভিক আচরণের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
তার এই অবৈধ ব্যবসাকে লোক দেখানো বৈধ ব্যবসায় রূপ দেবার জন্য বগুড়াস্থ সমাজ সেবা অফিস থেকে একটি রেজিস্ট্রেশন করে বগুড়া যুব কর্মজীবী উন্নয়ন সোসাইটি নামে পাশবই ছাপিয়ে বিভিন্ন এলাকায় সমিতি তৈরি করে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তার অবৈধ সুদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এমনকি তার এই প্রতিষ্ঠানটির যে কার্যালয় সেটি নির্মাণ করতে নিয়েছে প্রতারণার আশ্রয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভাগ থেকে কৃষি খাতে ব্যবহার করার জন্য লীজ গ্রহণ করলেও সেখানে (২৫ এফ রেল গেট ঘেঁসে)নির্মাণ করেছে ইট দিয়ে পাকা স্থাপনা।আর এতে সহযোগিতা করে বগুড়া রেলস্টেশনে কর্মরত কোটিপতি কানুনগো।এই আসলাম এর নিকট থেকে অনেক অসহায় ভূমিহীনরা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে হয়েছে নির্যাতিত। তার নিয়োগকৃত সুদ আদায়কারীকে টাকা প্রদানে দেরী হলে ঋণ গ্রহীতার উপর শারীরিক নির্যাতন চালায় স্বয়ং আসলাম নিজেই।যা গত ৪ঠা জুলাই অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে অত্যাচারিত ব্যক্তিদের কান্না বিজড়িত অভিযোগ থেকে। বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় গত কয়েকদিন পূর্বে অনুষ্ঠিত হলেও এসব অসহায় মানুষগুলোর কান্নার শব্দ এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কানে পৌঁছায় নি। উল্টো
আসলাম এর পরিবারের সদস্যদের বলতে শোনা যাচ্ছে আসলাম নাকি টাকা খরচ করে এসব ধামাচাপা দেবার জন্য উপর মহলে চেষ্টা করছে।
এলাকাবাসী এই সুদারু আসলাম এর এসব অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন। এবং লাল চিহ্নত নাম্বার টা মিলিয়ে নিবেন।