আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক উদ্ধার, অবৈধ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে জনমনে নিরাপত্তা বোধ জাগিয়ে তুলতে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের নেতৃত্বে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু বিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশক্রমে নিয়মিত মাদক ও অবৈধ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অদ্য ১৭/০৭/২০২৫ খ্রিঃ ভোর অনুমান ৪.৫০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, কতিপয় অস্ত্র ব্যবসায়ী আনোয়ারা থানাধীন বরুমচড়া এলাকায় জনৈক মোঃ আব্দুল মজিদ এর বাড়িতে অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে জনাব মোহাম্মদ মনির হোসেন, অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারা থানা সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ১৭/০৭/২০২৫ খ্রিঃ ভোর অনুমান ০৫.৩০ ঘটিকার সময় আব্দুল মজিদ এর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করে তার বসত ঘর সংলগ্ন পুকুরের পাকা ঘটলার পাশে মাটিতে পুতে রাখা ১। ১টি বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র, ২। ১টি কাঠের বাটযুক্ত দেশীয় তৈরী এলজি , ৩। ৮ রাউন্ড কার্তুজ, উদ্ধার পূর্বক উক্ত ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ আব্দুল মজিদ, পিতা-মৃত হাজী মুসলিম আহমদ চৌধুরী, সাং-বরুমচড়া, ১নং ওয়ার্ড, থানা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর ব্যবহৃত স্মার্ট ফোন পর্যালোচনা করে বিভিন্ন মডেলের দেশি-বিদেশী অস্ত্রের ছবি ও ভিডিও পাওয়া যায়। অত:পর তার বসত ঘর তল্লাশী করে অস্ত্র তৈরীর ছোট-বড় যন্ত্রাংশ ১১টি, অস্ত্র রাখার ১টি স্টিলের বক্স, ১টি স্মার্ট ফোন এবং অস্ত্র ক্রয় বিক্রয়ের নগদ ৩,৬৫,০০০/-টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় গ্রেফতাকৃত ব্যক্তি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় দীর্ঘদিন যাবৎ অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ছিল।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, জানুয়ারী ২০২৫ খ্রি: হতে অদ্য পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৭টি থানায় বিভিন্ন অভিযানে ৬৯টি দেশি-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র, অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ২৩০টি ও ২০০টি গুলি ও কার্তুজ উদ্ধার এবং ৫২টি অস্ত্র আইনে মামলায় সর্বমোট ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অবৈধ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সার্বক্ষনিক আপনাদের পাশে রয়েছে।