ইট ভাটা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্য সমাধানের উপায় নিয়ে বগুড়ায় জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৯ আগস্ট শনিবার বেলা ১২টায় মমইন কনভেশন সেন্টারে বগুড়া জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির আয়োজনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে চলমান সমস্য নিয়ে জরুরী আলোচনা সভা বগুড়া জেলার ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুর রহমান বাদলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান।
বগুড়া জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম হেলালের সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় বিশেস অতিথির বক্তব্য রাখেন মমইনের এম.ডি এটিএম আলী হায়দার। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ, সহ-সভাপতি সাহান যাদব, সহ-সভাপতি আব্দুস সাঈদ মাষ্টার, যুগ্ম সম্পাদক নাহিদুজ্জামান, সিরাজগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, গাইবান্ধা জেলার সভাপতি আব্দুল লতিফ হক্কানী, নীলফামারী জেলার সভাপতি কজলার রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি মুরাদ হোসেন, পাবনা জেলার সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, নাটোর জেলার সভাপতি গোলাম সারওয়ার,পঞ্চগাড় জেলার সভাপতি শফিউল্লাহ্, জয়পুরহাট জেলার ক্যাশিয়ার এমদাদুল হক, মেহেরপুর জেলার আহবায়ক আব্দুল্ল-আল হাছান, নেত্রকোনা জেলার সভাপতি টিটু মাষ্টার,কক্সবাজার জেলার সভাপতি আজিম আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলার সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি খালেকজ্জামান,কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি নুরুজ্জান হারুন।
জরুরী সভায় বক্তারা বলেন, অলৌকিক আইন করে হয়রানি করা হচ্ছে। উন্নয়নের সবচাইতে বড় উপকরণ ইট, ইটভাটার এই শিল্প সুন্দর ভাবে চালাতে পারি সেদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অহেতুক আমাদেরকে ভুয়া ভাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে হয়রানি না করতে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করছি। দেশের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়িসহ সব অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত ইট সরবরাহ করেছি। জিগজ্যাগ ইটভাটা বন্ধ হলে দেশের সকল সেক্টরের উন্নয়ন কর্মকান্ড থমকে যাবে। দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সমতা রেখে আমরা বায়ুদূষণ রোধে সরকার নির্দেশিত আধুনিক প্রযুক্তির জিগজ্যাগ ভাটা স্থাপন করি।
জরুরী সভায় বক্তারা আলো বলেন, নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ৩০০ থেকে ৪০০মিটার এবং বনাঞ্চলের দূরত্ব ৭০০ মিটার করে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রদানের জোর দাবি করা হয়।