সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে ধানক্ষেতের পাশের ডোবা থেকে সবুর মিয়া (৪৬) নামের এক কৃষকের ম'রদে'হ উ'দ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের কবিহার পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে ম'রদে'হটি উ'দ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম। সবুর মিয়া উপজেলার বরশিভাঙ্গা গ্রামের মৃ'ত মাজেম মণ্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি উপজেলার পশ্চিম খুকশিয়ায় শ্বশুরবাড়িতে ঘর জামাতা থাকতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ (শনিবার) সন্ধ্যায় বরশিভাঙ্গা-কবিহার সড়কের পাশের নির্জন এলাকার একটি ছোট ধানক্ষেতের পাশের ডোবায় ম'র'দে'হ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দেন তারা। এরপর পুলিশ এসে ম'রদে'হটি উ'দ্ধার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে নিহতের ভাই এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনও ঘটনাস্থলে যান। সবুর মিয়া মাঝেমাঝে তার গ্রামের বাড়িতে গেলেও তাদের নিজ বাড়িতে না থেকে প্রতিবেশিদের বাড়িতে থাকতেন। নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই মজনু মিয়া বলেন, ভাইদের সাথে সবুরের পারিবারিক সম্পর্ক ভালো না। সে কারণে স্ত্রী সন্তান নিয়ে পশ্চিম খুকশিয়ায় থাকতো সে। ওখান থেকে এসে বরশিভাঙ্গায় তার জমিজমা আবাদ করতো।
নি'হ'তের স্ত্রী বলেন, ‘গতকাল সকালে জমিতে আবাদ করার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আমরা ভেবেছি পাশেই আমার ভাইয়ের বাড়ি আছে হয়তো সেখানে তিনি আছেন। কিন্তুু আজ সকালেও তিনি বাড়ি না ফিরলে আমরা খুঁজতে থাকি। পরে আজ এই ধান খেতে তার লা'শ পাওয়া গেলো।’
কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম বলেন, সন্ধ্যায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লা'শ উদ্ধার করে নিয়ে আসি। সিরাজগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি দলও ঘটনাস্থলে এসেছিলো। লা'শটির গা দিয়ে ফো'স'কা পড়ে গেছে। মুখমন্ডল ফুলে গেছে। প্রাথমিকভাবে কোন আঘাতের চিহ্ন না পেলেও সন্দেহ হওয়ায় লা'শ ম'য়না'তদ'ন্তের জন্য পাঠানো হবে। এরপর আসল ঘটনা উদঘাটন সম্ভব হবে।’ এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।