গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঢাকা রংপুর মহাসড়কের ফায়ার স্টেশন সংলগ্ন উন্নত মোড়কে নিম্নমানের করলা, লাউ, ঝিঙ্গে সহ বিভিন্ন ধরনের বীজ প্যাকেট জাত করে বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ কৃষকের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বৈরী হরিনমারি এলাকার লুৎফর রহমানের নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
যেকোনো ধরনের ফসল উচ্চ ফলনশীলের প্রত্যাশায় চাষিদের একমাত্র ভরসা বীজ। যেটা সরকারিভাবে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে শুরু করে দেশের সরকারি অনুমোদিত বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে কৃষকরা সংগ্রহ করে জমিতে বপন করেন। আবার এরই মধ্য নামে বেনামে বিভিন্ন কোম্পানি থেকে বিজ ক্রয় করে প্রতারিত হচ্ছে অসংখ্য কৃষক উন্নত মানের মোড়কে নিম্নমানের বীজ মানে এমন বীজ যা দেখতে ভালো বা দামি মোড়কে থাকলেও আসলে তার গুণমান খুব খারাপ। এর ফলে বীজ সহজে গজায় না, উৎপাদন কমে যায় এবং কৃষকেরা প্রতারিত হন।
২৫ আগষ্ট সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অভিযুক্ত লুৎফর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ একতলা বিশিষ্ট একটি বাসা ভাড়া নিয়ে দৈনিক ১৬০ টাকা মজুরি মূল্যে পাঁচজন মহিলা শ্রমিক কে নিযুক্ত করে বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা নিম্নমানের লাউ, কুমড়া, করলা, শসা, ঝিঙ্গে সহ নানা ধরনের বীজ কোন প্রকার ল্যাব টেস্ট কিংবা পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই প্যাকেট জাত করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ কৃষকের সাথে প্রতারণা করে আসছে।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কাওসার মিশু মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানায়,ওখানে একটা বীজের ডিলারশিপ এর দোকান সম্বন্ধে আমি অবগত কিন্তু,এসব কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহসহকারী কমিশনার ভূমি আল ইয়াসা রহমান তাপাদার সাংবাদিকদের জানায়, এমন প্রতারণামূলক বিষয়ে আমি অবগত না, তবে সরেজমিনে সত্যতা মিললে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।