পুলিশ কলষ্টেবল মোঃ আব্দুর রহমান (৩৬), বিপি নং-৮৯১১১৩০৬৪৬, অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোছাঃ তুলা রানী। মোছাঃ তুলা রানী, পিতা মোঃ আঃ মান্নান মন্ডল, সাং ভাদাইল, পেধামসোনা-১৩৪৯, থানা-সাভার। বর্তমানে বাঁশহাটা, পোঃ জোড়গাছা, থানা সারিয়াকান্দি, বগুড়া। আমি অভিযোগ করিতেছি যে, ৪-৫ বৎসর পূর্বে আমার স্বামী মোঃ রফিকুল ইসলাম কর্তৃক তালাক প্রাপ্ত হয়ে কর্মের তাগি ঢাকা সাভার এলাকায় একটি গার্মেন্টস্ ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করি। পুলিশ কন্সষ্টেবল বিবাদী মোঃ আব্দুর রহমান, বিপি নং-৮৯১১১৩০৬৪৬, পূর্বের কর্মস্থল পাবনা জেলা সাথিয়া থানায় কর্মরত ছিল। উক্ত পুলিশ সদস্য মোঃ আব্দুর রহমান ও আমি একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় আমি তালাক প্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি বিবাদী অবগত হওয়ায়, বিবাদী আমাকে প্রেমে প্রস্তাব দেয়। বিবাদীর প্রেমের প্রস্তাব প্রথমে প্রত্যাখ্যান করিলেও নাছরবান্দা বিবাদী প্রায় সময়ে আমার ফেইস বুক আই,ডি-তে নক করে দীর্ঘক্ষন প্রেমের আলাপ করিতে থাকে এবং বিবাদী মাঝে মধ্যেই ছুটিতে নিজ বাড়ীতে এসে আমাকে মোবাইল ফোনে ডাকিয়া আমার সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করে। গত প্রায় ১ বৎসর যাবৎ বগুড়া শহরের সেফওয়ে মোটেল, নাজ গার্ডেনে, মম-ইন পার্কে নিয়ে গিয়ে আমার স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়া এবং আমাকে বিবাহের প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে একাধিকবার শারীরিক এ লিপ্ত হই/ধর্ষণ করে। বিবাদীকে বিবাহ করিতে বললে, বিবাদী বিভিন্ন অছিলা উপস্থাপন পূর্বক আমার কাছে থাকে, বিভিন্ন তারিখে পর্যায়ক্রমে প্রায় (নয় লক্ষ বিশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। বিবাদীকে বিবাহের জন্য চাপ দিলে বিবাদী আমাকে এই মাসে নয় পরের মাসে বিবাহ্ করিবে বলে আশ্বাস প্রদান করে সময় ক্ষেপন করে আসিতো। সর্বশেষ গত ৩১/০৮/২০২৫ তারিখে বিবাদী তাহার কর্মস্থল থেকে ছুটিতে এসে মোবাইল ফোনে আমাকে বিবাহ করিবে মর্মে জানাইয়া নিজ গ্রামের বাড়ি বাঁশহাটা গ্রামে আসতে বলে, আমি বিবাদীর কথায় সরল বিশ্বাস স্থাপন করে ঢাকা শহর থেকে নিজ পিতার বাড়ীতে আসি। তারপর গত ০৫/০৯/২০২৫ তারিখে আমার পিতা-মাতা আমার খালার বাড়ীতে দাওয়াত খাইতে যাওয়ায় বিবাদী বিকাল অনুমানিক ৩ টার সময় আমার পিতার বাড়ীতে আসলে আমি তাহাকে শয়ন ঘরে বসতে দিয়া বিবাদীর জন্য নাস্তা আনিয়া বিবাদীর সামনে দিলে, বিবাদী পূর্বের ন্যায় আমাকে বিবাহ করিবে বলে প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে আমাকে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে / শারীরিক এ লিপ্ত হয়। ধর্ষণ /শারীরিক শেষে আমি বিবাদীকে বিবাহের কথা বলিলে, বিবাদী উক্ত তারিখেই আমাকে বিবাহ করবে বলে জানাইয়া তাহার অভিভাবক ও কাজী সাহেবকে ডাকিয়া আনিবার কথা বলিয়া। আমার পিতার বাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার পর থেকে বিবাদী আর আমার সাথে অনুরূপ যোগাযোগ রাখে না কিংবা বিবাহের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এমতাবস্থায় উল্লেখিত বিষয়টি আমার অভিভাবকদের জানাইয়া তাহাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিবাদীর বাড়ীতে গিয়া বিবাদীর মাতা ও বড় ভাইকে দেখা পাইয়া তাহাদেরকে ঘটনার বিস্তারিত জানাইলে তাহারা শারীরিক সম্পর্ক / ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ করিতে নিষেধ করে, তারা অতিশীঘ্রই বিবাদীর সাথে আমার বিবাহের ব্যবস্থা করিবে বলে আশ্বাস দিয়ে ফেরৎ পাঠায়। ইতিমধ্যে লোক পরস্পরায় জানিতে পারি যে, বিবাদীর ছুটি শেষে বিবাদী তাহার কর্মস্থলে চলে যায়। বিবাদী বর্তমানে আমার সাথে সর্ব প্রকার যোগাযোগ বন্ধ রাখিয়াছে। এমতাবস্থায় অত্র অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে এবং গোপনে অনুসন্ধান পূর্বক সত্যতা যাচাই করে বিবাদীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন। পুলিশ কলষ্টেবল আব্দুর রহমানের প্রেমে পড়ে প্রেমিকা মোছা: তুলি রানীর আম ও ছালা দুটাই গেলো ! জানাগেছে , জন মনের প্রশ্ন,, প্রশাসন ও উকিল সাহেবদের কাছে এই বিষয়ে আইনের মতামত কি ?? তা জানতে চাই আইননুসারে ?? প্রশ্ন :- বিয়ের আগে প্রেমের টানে নিজ ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হইলে তাকে কি ধর্ষণ বলে ?? আর যদি বিয়ে না করে তাহলে কি ধর্ষণ হয়ে যায় ! এতে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, পুলিশ কলষ্টেবল আব্দুর রহমানের প্রেমে পড়ে প্রেমিকা মোছা: তুলি রানীর আম ও ছালা দুটাই গেলো।