বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহকারী মোঃ আব্দুল জলিল আকন্দ এর গত ৩ মাস আগে সাধারণ মানুষের নিকট হতে অবৈধ লেনদেনের ভিডিও প্রকাশিত হয়। যা সাংবাদিকদের নিকট আসে এবং বিষয়টি জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজার দৃষ্টিগোচর হলে জলিলের বিরুদ্ধে কোন তদবির ছাড়াই অন্যত্র বদলীর আদেশ করা হয়। কিন্তুু এই ঘুষখোর অফিস সহকারী এখনো ডিসি অফিসে কর্মরত। এতে জনমনে প্রশ্ন, কেন জলিলকে দিয়ে এখনো ডিসি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় কাজ করানো হচ্ছে?
আমাদের অনুসন্ধানে জানা যায়, জলিলের টাকার ভাগ এ অফিসের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনেকের পকেটে যায়। যার ফলে তিন মাস অতিবাহিত হলেও তাকে এখনো বদলি করা হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই অফিসের কর্মরত একজন চিঠি জারিকারক জানান যে জলিল আকন্দের ভিত্তি খুব শক্ত।
বিগত সময়ে সে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ে ম্যানেজ করতো। তবে বর্তমান ডিসি স্যার ফ্যাসিস্ট বিরোধী হওয়ায় তাকে ম্যানেজ করতে পারেননি। তাকে ডিসি অফিসে রেখে কাজ করার জন্য আরো অনেক তদবির শুরু হয়েছে।
আরো জানা যায় জলিল একজন অফিস সহকারী হয়েও বগুড়ার জলেশ্বরীতলা এলাকায় দু’টো বাড়ি কিনেছেন। জানা যায় সে শুক্রবার, শনিবার অফিস করে তার অবৈধ লেনদেন করে যেন তার সহকর্মীরা টের না পান।
মাননীয় জেলা প্রশাসক এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বগুড়া জেলার সাধারণ মানুষকে এরকম জলিলসহ আরও সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাঁচাতে এমন অফিস সহকারীকে দ্রুত বদলি করা দরকার এবং অফিসটা কলঙ্কমুক্ত রাখা দরকার।