বগুড়া সদর উপজেলার অগ্রসর যুব উন্নয়ন সংস্থার তিনটি শাখা রয়েছে। ছবিতে থাকা এই ব্যক্তিরা ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবাই আত্মগোপনে চলে গেছেন। উক্ত মামলায় মোঃ আশিকুর রহমানসহ ৮ জনের নামে ও আরো অজ্ঞাত আছে।
১. মোঃ আশিকুর রহমান (৪৫), পিতা মোঃ আব্দুল বারী, সাং বিহারহাট দক্ষিণপাড়া, থানা-শিবগঞ্জ, বর্তমান সাং-ফুলবাড়ী দক্ষিনপাড়া টিলা মসজিদ ২. মোছাঃ সুমনা আক্তার (৪৫), পিতা মোঃ রহিম মন্ডল সোনা মিয়া, সাং-বড় কুমিড়া খজপাড়া ৩. মোছাঃ রোজিনা বেগম (৩৫), স্বামী মোঃ আশিকুর রহমান, সাং-কিচক, থানা-শিবগঞ্জ, বর্তমান সাং ফুলবাড়ী দক্ষিনপাড়া টিলা মসজিদ ৪. মোঃ রাহাত (৩৭), পিতা অজ্ঞাত, সাং শিববাটি বিগ বাজার, থানা ও জেলা-বগুড়া এবং ধৃত উপরোক্ত ৫. মোঃ তৌফিক হাসান (৩৩), পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাং-বাদুরতলা ৬. মোঃ রেজাউল করিম (৫০), পিতা মৃত বুদা আকন্দ, সাং-ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া ৭. মোছাঃ রিতু জাহান (২৯), স্বামী মোঃ আশিকুর রহমান, সাং ফুলবাড়ী দক্ষিনপাড়া ৮. মোঃ জাহিদুল (৩৬), পিতা অজ্ঞাত, সাং-অজ্ঞাত, থানা-সারিয়াকান্দি।