বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে সরকারি সেবার পরিবর্তে রোগীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অপেশাদার আচরণ এবং দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও ট্রলি বা হুইলচেয়ারে রোগী আনা-নেওয়ার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে টাকা দিতে হচ্ছে। এছাড়াও নার্সদের কাছে সেবা চাইতে গেলে তারা অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও বাজে ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ার সময়ও ‘মিষ্টি খাওয়ার’ নাম করে জোরপূর্বক বকশিশ বা টিপস আদায় করা হচ্ছে।
অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে হাসপাতালের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নির্ধারিত ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা।এছাড়াও রোগীদের নিজ বেড থেকে যেগুলো টেস্ট করানো যায় তার জন্য সার্ভিস চার্জ নিচ্ছে কিন্তুু রোগী নিজে যেয়ে টেস্ট করলে, সেই সার্ভিস চার্জ এর টাকাগুলো কোথায় যায়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন— সরকারি বেতন পাওয়ার পরেও কেন কর্মচারীরা রোগীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নেবে?
ভুক্তভোগীরা এই ‘সেবা বাণিজ্যের’ বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা মনে করেন, নাগরিক সচেতনতা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরদারি বৃদ্ধি পেলে এই হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে। হাসপাতালের সেবার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ নাগরিকরা।