যশোর মণিরামপুরের কুলিপাশা এলাকায় গভীর রাতে অবৈধভাবে নদী খনন করে মাটি বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করেছে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: সম্রাট হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্কাস নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে হরিহর নদী খুঁড়ে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করছিলেন। দিনে প্রশাসনের নজর এড়াতে না পেরে চক্রটি রাতের আঁধারে মাটি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙ্গনের ঝুঁকি বাড়ছিল বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। গোপন সূত্রে শনিবার মধ্যরাতে সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও মো: সম্রাট হোসেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয় এবং একটি স্কেভেটরের ব্যাটারি জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে চক্রের মূল হোতা আক্কাস কৌশলে পালিয়ে যান।
পরে মূল অভিযুক্তকে দ্রুত হাজির করার শর্তে আটক ব্যক্তিদের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এবিষয়ে মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন বলেন, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। এদিকে মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ও বাগডোব এলাকাতেও রাতের বেলা মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এসব ‘মাটিখেকো’ চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে।