গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রের জন্য আসা ঈদুল ফিতরের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।এ খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদে হতদরিদ্রের জন্য আসা সরকারি ভাবে ১০কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়।এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মন্ডল।
তিনি এ কার্যক্রম শুরু করে পরিষদের সচিব মাসুদার রহমান ও ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব দিয়ে পরিষদ থেকে চলে যান।
এর পরেই সংশ্লিষ্ট পরিষদের লোকজন কার্ডধারী দের মাঝে ১০কেজির স্থলে ৭/৮কেজি করে দেয়া শুরু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এ অভিযোগ দিলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিন্দার আলী সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চাল বিতরন কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে এ চাল বিতরনের অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে দুপুর ১টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা স্থানীয় বিএনপির সভাপতি মেহতাহুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারন সম্পাদক ফিরোজ কবিরের উপস্থিততে পুনরায় চাল বিতরন শুরু করেন।
এ বিষয়ে তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ
সূত্রে জানা গেছে মোট তালুকানুপুর ইউনিয়নে
এ বছর ৪৮০০টি হতদরিদ্র পরিবারের জন্য ১০কেজি চাল বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে ১০০০টি দলীয় ভাবে প্রাপ্ত কার্ডধারীরা চাল পাবেন, এবং বাকী ৩৮০০ পরিষদের মেম্বার চেয়ারম্যানের মাধ্যমে চাল পাবেন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ৪৮০০ কার্ড ধারীর মাঝে ২কেজি করে চাল কমদিলে ৯হাজার ৬'শ কেজি চাল বাচে। এবং বিভিন্ন নামে কার্ডের ভাগ নিয়ে হতদরিদ্রপরিবারের এ চাল তুলে বিক্রি করে সচিবের মাধ্যমে ভাগাভাগি করে হতদরিদ্রের জন্য আসা সরকারি চাল যায় ধনীদের পেটে।
এ বিষয়ে তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলমের কাছে বক্তব্য জানতে ফোন করলে,তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার বক্তব্য জানতে ফোন করলে তিনিও ফোন রিসিভ করেন নি।