বগুড়া শহরের খান মার্কেটের আলোচিত ফার্মেসি ব্যবসায়ী আপেল মাহমুদকে (৩৬) ৮০০ পিস নিষিদ্ধ ও অবৈধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশ্ন উঠেছে— কে এই আপেল মাহমুদ?
ওষুধ ব্যবসার আড়ালে মাদকের কারবার:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আপেল মাহমুদ বগুড়া শহরের খান মার্কেটে 'উত্তরণ ফার্মেসি' নামে একটি ওষুধের দোকান পরিচালনা করতেন। তবে এই ওষুধ ব্যবসার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন আপেল মাহমুদ। তার এই হঠাৎ ফুলেফেঁপে ওঠা নিয়ে শহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল।
গ্রেফতার ও বর্তমান পরিস্থিতি:
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আপেল মাহমুদের হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে। গ্রেফতারের পরপরই তার মালিকানাধীন 'উত্তরণ ফার্মেসি'টি আজ সোমবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা জানান, মাদক নির্মূলে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
খান মার্কেটের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, আপেল মাহমুদ নিজেকে একজন সাধারণ ফার্মেসি মালিক হিসেবে পরিচয় দিলেও তার জীবনযাত্রায় ছিল বিলাসিতার ছাপ। অবৈধ মাদকের মাধ্যমে তিনি যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ অনেকের।
এই মাদক চক্রের সাথে আর কে কে জড়িত এবং আপেল মাহমুদের অবৈধ সম্পদের উৎস নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।