কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অধীন ডুলাহাজারা রেঞ্জের ডুলাহাজারা বিট কর্মকর্তা শাহরিয়ার আমিনের বিরুদ্ধে বনজ সম্পদ রক্ষা না করে বরং অবৈধ কাঠ পাচার ও বালু পরিবহনে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে স্থানীয়দের একাধিক অভিযোগ ও বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে, যা বন বিভাগে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, ডুলাহাজারা বাজারের পূর্ব পাশের সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঠবোঝাই একাধিক যানবাহন বের হয়ে আসে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব যানবাহন মালুমঘাট বাজার হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। একাধিক সূত্রে অনুযায়ী জানা গেছে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪টি কাঠবোঝাই গাড়ি এই রুট ব্যবহার করে চলাচল করে।
'প্রতি গাড়িতে ১,২০০ টাকা' আদায়ের অভিযোগ
অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কাঠবোঝাই প্রতিটি গাড়ি থেকে প্রায় ১,২০০ টাকা করে আদায় করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, এই অর্থ বন বিভাগের স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। শুধু কাঠ নয়, ডুলাহাজারা বিট অফিসের সামনের সড়ক দিয়েও নিয়মিত অবৈধ বালুবাহী ট্রাক ও ডাম্পার চলাচলের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রকাশ্যে এসব যানবাহন চলাচল করলেও কার্যকর কোনো অভিযানদেখা যায় না ।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, একটি কথিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ বালুবাহী যানবাহনের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে অর্থ (মাসোয়ারা) আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।এই অভিযোগের বিষয়ে ডুলাহাজারা বিট কর্মকর্তা শাহরিয়ার আমিনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে এই বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক এসিএফ মুহাম্মদ কামরুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।