সাংবাদিক আলমাস ইসলাম সাগর অভিযোগ করেছেন, গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখে শাবানা বেগমের নির্দেশে এবং তার ছেলে সামিউল ইসলাম সনির ফোন থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি ৯ জুন বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বিষয়টি তদন্তের জন্য বনানী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই গোলাম আজমের কাছে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, ১৭ জুন বনানী পুলিশ ফাঁড়িতে দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি জানতে পারেন, তার বিরুদ্ধে একটি পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, যা এসআই কলিম উদ্দিন তদন্ত করছেন। তবে ওই অভিযোগের কোনো কপি বা বিস্তারিত তাকে দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আলমাস ইসলাম সাগরের অভিযোগ, আলোচনার পরও ১৯ জুন দুপুরে অর্ণসহ তিনজন ধারালো অস্ত্রের মুখে তাকে অটোরিকশায় তুলে অপহরণের চেষ্টা করে। তিনি আত্মরক্ষার জন্য ধস্তাধস্তি করে চলন্ত অটোরিকশা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। পরে বিষয়টি এসআই গোলাম আজমকে জানালে তিনি আইনগত পরামর্শ দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
এদিকে, ১ জুলাই পুনরায় বৈঠকের আগে নিজের নিরাপত্তার শঙ্কা জানিয়ে তিনি উপস্থিত হতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপরও ৩ জুলাই তার অনুপস্থিতিতে বনানী পুলিশ ফাঁড়িতে একতরফাভাবে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি জানতে এসআই কলিম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী।
আলমাস ইসলাম সাগর আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে মামলা করতে গেলে তাকে অনলাইন জিডি করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণেই অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, অপহরণের চেষ্টার সুষ্ঠু বিচার এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।