গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানিটেক বস্তিতে মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে কুলসুম নামের এক নারী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একসময় মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে জীবনযাপন করা কুলসুম বর্তমানে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এলাকায় তাকে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবেও অভিহিত করেন অনেকে।
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, রেলওয়ের সরকারি জায়গা দখল করে কুলসুমের নেতৃত্বে একটি স্থায়ী মাদক স্পট গড়ে উঠেছে। সেখানে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারবারে তার পরিবারের একাধিক সদস্য ও সহযোগী জড়িত বলেও দাবি স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে কেরানিটেক বস্তিতে অভিযান পরিচালনা ও মাদক কারবারিদের আটকের ঘটনা ঘটলেও কিছুদিন পর পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাদের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জামিনে বেরিয়ে এসে অভিযুক্তরা পুনরায় মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বস্তিতে মাদকের অবাধ বিস্তারের কারণে তরুণ ও কিশোরদের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। পাশাপাশি মাদককে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বাড়ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
তবে কুলসুম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং কথিত সম্পদের উৎস ও মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি, কেরানিটেক বস্তিতে মাদক কারবার বন্ধে নিয়মিত অভিযান, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।