
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল এবং তার পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিলের লক্ষ্যেই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সোমবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি মামলার যাবতীয় নথিপত্র এবং সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত ডিবির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলীর কাছে বুঝিয়ে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতেই এই গুরুত্বপূর্ণ মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার বিকেলে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ওই রাতেই পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি জানান, গ্রেপ্তারকৃত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। আদালতে তারা নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিস্তারিত জবানবন্দি দিয়েছেন।
এখন থেকে আলোচিত এই মামলার তদন্তে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মামলার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি মামলার যাবতীয় নথিপত্র ও তথ্য-উপাত্ত ডিবির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলীর কাছে হস্তান।