বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার দাসগ্রাম এলাকায় জমিতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে মারধর এবং পরবর্তীতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রায় ৫৬ হাজার টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো: উজ্জ্বল মোল্লা (৪৫) নন্দীগ্রাম থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখিত অভিযুক্তরা হলেন নন্দীগ্রাম উপজেলার দাসগ্রাম সোনারপাড়ার মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪৫), মোঃ অন্তর (২২), মোছাঃ ওসনা (৪০), মোঃ আলী হোসেন (১৮) এবং মোঃ হাফিজ (৫৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বিবাদী শফিকুল ইসলাম ও আলী হোসেন লাইটের আলো জ্বালিয়ে পলি দিয়ে উজ্জ্বল মোল্লার জমিতে মাছ ধরতে যান। এতে জমির ফসল নষ্ট হওয়ায় উজ্জ্বল মোল্লা তাদের বাধা দিলে বিবাদীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। জীবন বাঁচাতে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান এবং পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন। সে সময় বিবাদী শফিকুল ইসলামের হাতে লাঠি এবং আলী হোসেনের হাতে চাইনিজ কুড়াল দেখতে পাওয়া যায়। শফিকুল ইসলাম লাঠি দিয়ে পুনরায় আঘাত করতে গেলে প্রাণ রক্ষার্থে উজ্জ্বল মোল্লা সেই লাঠি কেড়ে নিয়ে তাকে পাল্টা আঘাত করেন। পরে বাজার থেকে আসা লোকজন বিবাদীদের হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে উভয় পক্ষকে স্থান ত্যাগ করতে বলে।
এরই জেরে রবিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিবাদীরা উজ্জ্বল মোল্লার বাড়িতে হামলা চালায়। উজ্জ্বল মোল্লা বাড়িতে না থাকায় বিবাদীরা সেখানে ভাঙচুর চালায় এবং তার গরু ব্যবসার গচ্ছিত ছাপান্ন হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগী নিজেকে রক্ষা করতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
অভিযোগকারী মো: উজ্জ্বল মোল্লা এ বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।