
ইয়ুথ ডেস্ক : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল আলমের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে সম্রাটের আইনজীবীর আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেন বিচারক। এদিন সম্রাট আদালতে উপস্থিত হন।
এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্রাটের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সারাদেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ২০২২ সালের ২২ আগস্ট সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল আলমের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। তবে সম্রাটের আইনজীবীর আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করেন বিচারক। এদিন সম্রাট আদালতে উপস্থিত হন। এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্রাটের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সারাদেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ২০২২ সালের ২২ আগস্ট সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।