
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে যাত্রা করে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে তিনি ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে কড়া নিরাপত্তায় তাকে ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রিয় নেতাকে অভ্যর্থনা জানাতে জেএফকে বিমানবন্দরের আশপাশে এবং হোটেল প্রাঙ্গণে দুপুর থেকেই ভিড় জমান যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের হাতে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতিসহ ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী তাদের হাসিমুখে শুভেচ্ছার জবাব দেন। দলের নেতাকর্মীদের মতে, এই সফর কেবল প্রটোকল নয়, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক রূপরেখা তুলে ধরার একটি সুযোগ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি দলে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার পথে রওনা হবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাবা-মায়ের পর তারেকের এই অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাঝেমধ্যে স্লোগান দেন- ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেতাকর্মীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধুমাত্র একটি প্রটোকলভিত্তিক সমাবেশ নয়, বরং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারক ও মার্কিন মহলের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরার এক উন্মুক্ত মঞ্চ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুমুখী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রাধান্য পাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাত ১১টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।