
ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক শীর্ষ বৈঠকে বসেছেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। বাণিজ্য যুদ্ধ, তাইওয়ান ও ইরান ইস্যু নিয়ে গভীর মতপার্থক্য সত্ত্বেও সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে শি জিনপিংয়ের এ সফর গুরুত্বপূর্ণ। তিন দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে একান্ত আলোচনা ও ভোজসভায় অংশ নেন চীনা প্রেসিডেন্ট। বৈঠকটিকে ফলপ্রসূ উল্লেখ করে ট্রাম্প জানান, উভয় নেতার মধ্যে গভীর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এ খবর প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানোর ওপর জোর দেন শি জিনপিং। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত যেন একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকে, কোনো পক্ষ হারবে বা জিতবে এমন সংঘাত নয়। তবে ইতিবাচক বার্তার আড়ালে মৌলিক ভূরাজনৈতিক বিরোধগুলো অমীমাংসিত থেকে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আগ্রাসন ও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে ট্রাম্প বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়েছেন। কিন্তু ইরানের শীর্ষ বাণিজ্যিক অংশীদার চীন এই সংকট রাজনৈতিক উপায়ে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে ওয়াশিংটনের আহ্বানে সরাসরি সাড়া দেয়নি।