
গত কয়েক বছরে হুথিরা এক শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ইব্রাহিম জালাল আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রত্যক্ষ সহায়তায় হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং ড্রোনের লক্ষ্যভেদের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জালালের মতে, ইয়েমেন সরকার ও তাদের মিত্ররা বর্তমানে এমন এক প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করছে, যারা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিজেদের সামরিক অবস্থান আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংহত করেছে।
জালালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব সামরিক তৎপরতার মাধ্যমে হুথিরা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মারিব শহরের দিকে আরও অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে। মারিব এত দিন তুলনামূলক কম চাপের মুখে থাকলেও, এটিই হুথিদের পরবর্তী প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। হুথিদের এই সামরিক সক্ষমতা ও সাম্প্রতিক অগ্রগতি ইয়েমেন সরকার এবং তাদের মিত্রদের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ আমূল বদলে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল-আলিমি নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। হুথিদের এই বর্ধিত সামরিক সক্ষমতা সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।