
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তিন বছরের বিশেষ সায়েন্স ফেলোশিপে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মৌলিক পরীক্ষামূলক বা তাত্ত্বিক শাখায় উচ্চতর গবেষণায় আগ্রহী এবং কর্মজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা মেধাবী বিজ্ঞানীরা এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নাগরিকেরা এই ফেলোশিপের জন্য নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে আবেদন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তরুণ গবেষকেরা নিজেদের মেধা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশের সুযোগ পাবেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে। আইএমএফে ইন্টার্নশিপ, ১০–১২ সপ্তাহ ওয়াশিংটনে কাজের সুযোগ।
এই ফেলোশিপের মেয়াদকাল মোট তিন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণত ফেলোশিপ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এবং এর মেয়াদ শেষ হবে ২০৩০ সালের ৩১ আগস্ট। তবে নির্ধারিত নিয়মের আওতায় প্রার্থীরা চাইলে একই বছরের ১ জুলাই কিংবা ১ আগস্ট থেকেও গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই ১ সেপ্টেম্বরের পরবর্তী সময়ে এই ফেলোশিপে যোগদানের সুযোগ রাখা হয়নি। প্রার্থী নির্বাচনে কিছু পূর্বশর্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়, যার মধ্যে পিএইচডি অর্জনের সময়সীমা এবং বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আগ্রহী প্রার্থীদের অ্যাকাডেমিক জবস অনলাইন তথা এজেও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের স্ট্যানফোর্ডের সম্ভাব্য ফ্যাকাল্টি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গবেষণার সহযোগিতা এবং হোস্টিংয়ের বিষয়ে আগেই আলোচনা করতে হবে। ফেলোশিপ চূড়ান্ত হওয়ার পূর্বেই অন্তত একজন স্ট্যানফোর্ড শিক্ষক বা ফ্যাকাল্টি সদস্যকে আবেদনকারীকে হোস্ট করার বিষয়ে সম্মতি জানাতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে জীবনবৃত্তান্ত, কভার লেটার, তিনটি সুপারিশপত্র, দুই পৃষ্ঠার ক্যারিয়ার স্টেটমেন্ট এবং দুই পৃষ্ঠার সুনির্দিষ্ট গবেষণা প্রস্তাব। গবেষণা প্রস্তাবে মূলত গবেষণার মূল সমস্যা, আগামী কয়েক বছরে অর্জনের লক্ষ্য এবং স্ট্যানফোর্ডের ভূমিকা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।