গাইবান্ধা সদর উপজেলার বালুয়া বাজারসংলগ্ন সরকারি জমিতে দোতলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মো. সুলভ মিয়া খাজার বিরুদ্ধে। নির্মাণাধীন ভবনটির একাংশ গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়কের মধ্যে চলে এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। এতে জনবহুল বাজার এলাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এ ঘটনায় নির্মাণকাজ বন্ধ, জমির সীমানা যাচাই এবং অবৈধ স্থাপনা প্রমাণিত হলে তা অপসারণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ ইং পার্বতীপুর গ্রামের মো. সুমন মিয়া (মন্টু) ওই আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সদর উপজেলার ৬ নম্বর রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পার্বতীপুর মৌজার ১/১ খতিয়ানভুক্ত ৪১৩ ও ৪১৪ দাগের জমি সরকারি সম্পত্তি। জমিটি গাইবান্ধা-নাকাইহাট সড়ক ও বালুয়া বাজারসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ওই জমিতে মো. সুলভ মিয়া খাজা রাতের আঁধারে ভবন নির্মাণ করছেন। নির্মাণাধীন দোতলা ভবনটির একাংশ সড়কের মধ্যে পড়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবনটি ইটের গাঁথুনির ওপর নির্মাণ করায় তা ভেঙে পড়ে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবেদনকারী।
আবেদনে আরও বলা হয়, বালুয়া বাজার একটি জনবহুল এলাকা হওয়ায় সেখানে নির্মাণাধীন ভবনটি পথচারী, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ অবস্থায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ এবং নির্মাণকাজের বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী। সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও স্থাপনাটি অপসারণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সুলভ মিয়া খাজার বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।