উৎপল ঘোষ.ক্রাইম রিপোর্টার: বাগেরহাটের শরণখোলায় প্রেমিকের প্ররোচনা ও শারীরিক নির্যাতনে চাঞ্চল্যকর জুঁই আত্মহত্যা মামলার এজাহার নামীয় একমাত্র আসামি মাসুদ খাঁনকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৬, সদর কোম্পানি।
২০ অক্টোবর ২০২৬ ইং রাত ০৮:৪০ ঘটিকার সময় এসআরবি-৬, সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাগেরহাটের শরণখোলা থানার চাঞ্চল্যকর জুঁই (৩০) আত্মহত্যা মামলার এজাহার নামীয় একমাত্র আসামি মাসুদ (৩৫) শরণখোলা থানার অন্তর্গত রাতিয়া রাজাপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান খান এর পুত্র। তাকে বাগেরহাট থেকে গ্রেফতার করে এসআরবি।
জানা যায়, ভিকটিম শান্তা আক্তার জুঁই (৩০), বাগেরহাটের শরণখোলা থানাধীন রতিয়া রাজাপুর নিবাসী মৃত মিনাজ উদ্দিন এর ছেলে আনোয়ার হোসেনের বিবাহিতা স্ত্রী। গত ১৫ বছর পূর্বে আনোয়ার হোসেনের সাথে ভিকটিম জুঁই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং তাদের দাম্পত্য জীবনে ১১ বছর বয়সী একজন কন্যা সন্তান রয়েছে। জুঁই কুয়েত প্রবাসী স্বামী আনোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতির সুযোগে গ্রেফতারকৃত আসামি মাসুদ খানের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। গত ০৫/১০/২০২৬ ইং তারিখে উক্ত আসামি মাসুদ খান বিয়ের প্রলোভন ও প্রতারণার মাধ্যমে ভিকটিমকে পালিয়ে নিয়ে এসে শরণখোলা থানাধীন কদমতলা গ্রামে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে উক্ত আসামি মাসুদ খান ভিকটিমকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করলে ভিকটিম জুঁই গত ১৭/১০/২০২৬ ইং আত্মহত্যা করেন।
উল্লেখ যে, ঘটনার পর থেকে উক্ত আসামি মাসুদ খান আত্মগোপনে ছিলেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা শামসুন্নাহার রুনু বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানায় উক্ত আসামি মাসুদ খানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার দায়ে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।