গাইবান্ধায় সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কাটার সংবাদ প্রকাশ করায় এক সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুপতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তারার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কাটার ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম সাপ্তাহিক জয়ভিশনের সাংবাদিক এবং গাইবান্ধা জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য। জিডি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে দারিয়াপুর ঠাকুরের দিঘী এলাকায় অবস্থানকালে মুঠোফোনে কল করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আশরাফুল ইসলাম। অভিযোগ অনুযায়ী, ফোনালাপে তাঁকে কুপতলা ইউনিয়নে প্রবেশ করতে না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর সাংবাদিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কাটার ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর এ হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি। সাংবাদিকের দাবি, সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বিষয়টি খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপরই তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত ফোনালাপের রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এদিকে, ভূমি অফিসের তহশিলদার সাকিলা জাহান জানিয়েছেন, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে এ ঘটনায় আবু সাইদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান গাছগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রেখেছেন বলেও জানান তিনি। তবে পরে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ইউক্যালিপটাস গাছের পরিবর্তে আমগাছের ডাল দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে।জিডির তথ্য: সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম গত ২৭ অক্টোবর গাইবান্ধা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নম্বর ১৫৯৯। এতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সমাপ্তি: সরকারি সম্পদ রক্ষা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হুমকির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তারার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।