
নীলফামারীর ডিমলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের তিস্তা নদীর চর এলাকা থেকে গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে নুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে জলঢাকা থানা–পুলিশ।
এর আগে ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী মিলনপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে আব্দুল আজিজকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যান ছেলে নুর ইসলাম।
নিহত আব্দুল আজিজ (৭০) ওই গ্রামের প্রয়াত পহাদ্দি মামুদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আব্দুল আজিজের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। এক বছর আগে আজিজ তাঁর বড় মেয়ে আরজিনাকে ১৬ শতাংশ জমি লিখে দেন। এরপর থেকে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গতকাল মঙ্গলবার আজিজ বাড়ির সামনের ভুট্টা রোপণ করছিলেন। এ সময় জমির সীমানা নিয়ে ছেলে নুর ইসলামের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে আজিজকে ঘটনাস্থলে আহত করে পালিয়ে যান ছেলে নুর। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান তিনি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় বলেন, নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, নুর ইসলাম নেকবক্ত এলাকার বুড়িতিস্তার চরে তার আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।