
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গাজার অনাহার সংকট নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধির মধ্যে ত্রাণ নিয়ে রওনা দিয়েছে তিনটি জাহাজ। শনিবার তিনটি জাহাজের বহর সাইপ্রাসের একটি বন্দর থেকে ৪০০ টন খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে গাজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।
ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন চ্যারিটি জানিয়েছে, দুটি জাহাজ এবং একটি বার্জের মাধ্যমে সরবরাহ করা চাল, পাস্তা, ময়দা, ডাল, টিনজাত সবজি এবং প্রোটিনের মতো সাহায্য সামগ্রীগুলো দিয়ে, ১০ লাখের বেশি ইউনিট (১০ লাখ মিল) খাবার প্রস্তুত করা যাবে।
ঐতিহ্যগতভাবে পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের জন্য এই চালানে খেজুর রয়েছে। জাহাজগুলো কবে গাজায় পৌঁছাবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ মাসের শুরুতে প্রথম চালানে একটি জাহাজে করে ২০০ টন খাবার, পানি ও অন্যান্য সহায়তা পাঠানো হয়েছিল।
চলতি মাসের শুরুতেই গাজার বিধ্বস্ত ও বিচ্ছিন্ন উত্তরাঞ্চলে সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষ হতে পারে বলে জাতিসংঘ ও তার সহযোগী সংস্থাগুলো সতর্ক করেছিল। মানবিক সহায়তা কর্মকর্তারা বলছেন, কেবল সমুদ্র ও আকাশপথে ত্রান সরবরাহ যথেষ্ট নয়।
সড়কপথে আরো বেশি ত্রাণ সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তার। জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত ইসরায়েলকে আরো স্থলপথ খুলে দেওয়ার জন্য বলেছে। এই সংকট মোকাবেলায় অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিসরীয় নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে মিসরের রাষ্ট্রীয় মালিকানার আল-ক্বাহেরা টেলিভিশন জানিয়েছে, রোববার ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে। এই টেলিভিশনের সঙ্গে মিসরের গোয়েন্দা সংস্থার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।