উপজেলা প্রতিনিধি(ভালুকা, ময়মনসিংহ):ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের ভাষা সৈনিক মোঃ হোছেন আলী খান বাদেশী একজন দেশপ্রেমিক ও আদর্শ নাগরিক। এদেশের বহু অধিকার আদায়ের আন্দোলনে, ভাষা সৈনিক মোঃ হোছেন আলী খান বাদেশীর অবদান যুগযুগান্তর স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বাদেশীর নাতি মোঃ সজীব হোসাইন, অনলাইন সংবাদ- দৈনিক সাহসী কণ্ঠ ও ইউথ টেলিভিশন এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক। সে সুশৃঙ্খল ও সুশিক্ষিত সমাজ গড়ে তুলতে নানাবিধ কাজ করে থাকেন। সাংবাদিক মোঃ সজীব হোসাইন বক্তব্য অনুযায়ী, আমরা যে তথ্য পেয়েছি, তার উপর বৃত্তিকরে আমরা বলতে পারি, মোঃ সজীব হোসাইনের সামাজিক ও সেবা মূলক কাজে এবং সামাজিক নেতৃত্বে ক্ষুব্দ হয়ে- কিছু সংখ্যক কুচক্রী মহল ক্ষতি করার ঘোপন চেষ্টা চলমান রেখেছেন। সন্ত্রাসী আব্দুল মতিন- সজীবকে হত্যা করার জন্য লক্ষ স্থীর করে। সজীবদের জমির পাশে থাকা মোছাঃ জায়দা খাতুনের জমি ক্রয় করতে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর দলিল লেখক জয়নাল আবেদীনের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন- সজীব। গত ০৭ এপ্রিল ২০২৪ ইং রোজ রবিবার সকালে মোছাঃ রোকসানা আক্তারের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দুইমাসের জন্য ধার হিসাবে নেয় সজীব। ১৪/০৪/২০২৪ ইং রোজ রবিবার সেই এক লক্ষ টাকা নিয়ে রামপুর গ্রামের মোছাঃ জায়দা খাতুনের বাসায় যাওয়ার পথে সজীবকে আব্দুল মতিন গংরা দেখে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পিছনে দৌড় দেয়। সে জীবন বাচাতে রামপুর গ্রামের পাইঞ্চাত বাড়ীর পুকুরপাড় থেকে দক্ষিণ দিকে ধানখেত দিয়ে দৌড়ায়- মতিনের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে সজীব ধান খেতে পরে যায়। তারপর তার লুঙ্গি ছিড়ে সজীবের হাত,পা,মুুখ বেদেফেলে। সন্ত্রাসীরা বলে মেনজেনা বনের ভিতর নিয়ে গিয়ে কুড়াল দিয়ে সজীবের হাত, পা কেটে ফেলবে। তাহলে আর নেতাগীড়ি করতে পারবেনা। আরো বলেন, চুতমারানীর পুতেরে একবারে মার্ডার করে ফেলবো। তখন সে ছুটাছুটি করার সময় তার মাথায় বুকে, বামপায়ে, বামহাতে সহ সমস্ত শরীরে ব্যপক আঘাত করে আঘাত করার সময় সজীবকে কঠিন আটুনী দিয়ে রশির মাধ্যমে বেদে রাখছিল- মোছাঃ সেলিনা আক্তার রশির বাদন খুলতে চেষ্টা করেছিল।৯৯৯ এর পুলিশ রশি উদ্ধার করেছেন।মেনজেনা সরকারি গহিন জঙ্গলে নেওয়ার পথে সন্ত্রাসীরা বলে, আমরাতো তার কাছ থেকে একলক্ষ টাকা নিয়েছি।এখন মার্ডার করলে সকল মানুষ খুজপেয়ে যাবে। এখন বাজারে নিয়ে একটা কিছু বলে ছেড়ে দেই। রাস্তায় মোঃ বিল্লাল হোসাইন, সজীবকে ছুটাতে গেলে তার মাথায়, মুখে ও দাতে, বুকে, হাতে, পায়ে ব্যপক আঘাত করে। পরে সজীবকে বাজারের দিকে নিয়ে যায়।ঘটনা চলমান অবস্থায় ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ গিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধার করেন। পুলিশ রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে থানায় মামলা করতে বলে। সজীবের পরিবার ০৪ কিঃ মিঃ দূর থেকে রামপুর গ্রামে নতুন বাড়ী করায় এখানে সজীবের কোন স্বজন নাই। অপরদিকে মতিনের পরিবার যুগযুগ এই গ্রামে বসবাস করায় ছোটবড় ৫০০ আত্মীয় স্বজন তার আশপাশেই বসবাস করে। বর্তমানে মোঃ বিল্লাল হোসাইন ও মোঃ সজীব হোসাইন, ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি আছেন। আইনী ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।