নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব আমরা প্রতিনিয়ত অনুভব করছি। প্রতিবছরই যেন তাপমাত্রা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশেও স্বরূপে বিদ্যমান। তীব্র দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত। প্রচণ্ড গরমে শিক্ষার্থীদের নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ গরমে পানিশূন্যতা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোগব্যাধিতে শিক্ষার্থীদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।এই তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার কয়েকটি উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না। এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে।
২. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করুন। পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।
৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।
৫. কোথাও যাওয়ার আগে সঙ্গে পানি অবশ্যই নেবেন।
৬. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।
৭. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।
৮. ঘর যাতে ঠান্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।
৯. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১০. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
এভাবেই ছোটো ছোটো পদক্ষেপ নিয়ে গরমে সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।