ভারতে ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রত্যাশানুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে পাড়ি জমানোর আগে দেশের ক্রিকেটে নানান সব নাটকীয়তার বিষয়ে সবারই জানা। এরপর বৈশ্বিক মহাযজ্ঞে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতায় সমালোচনার মুখে পড়ে টিম ম্যানেজম্যান্ট। বিশ্বকাপের মাঝপথে সংবাদ সম্মেলনে হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ শেষেই তার আসল কাজ শুরু হবে।
এবার ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের পূর্ণ শক্তির দলকে হারানোই কী তাহলে আসল কাজের শুরু; মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুকে এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়।
জবাবে হাথুরুর ভাষ্য, এতো তাড়াতাড়ি আপনি সবকিছু বদলে দিতে পারবেন না। যদি আমরা দলের ও দলের সংস্কৃতির জন্য ভালো জিনিসগুলো করে যেতে পারি, ফল এমনিতেই আসবে। আমরা প্রতি ম্যাচ জিতবো না। সেটা করার চেষ্টা করবো।
লঙ্কান এই কোচ যোগ করেন, আমরা একটা পরিপূর্ণ ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু এটা কঠিন ছিল একটা ভালো দলের বিপক্ষে। আমাদের আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। আমরা এই ম্যাচটা শুরু করতে চাই সিলেটের ম্যাচটার মতো। একই রকম দুশ্চিন্তা, আশা ও লক্ষ্য নিয়ে। আমাদের প্রতিটি দিনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের লক্ষ্য নিয়ে হাথুরুর মন্তব্য, বাস্তব লক্ষ্য হতে পারে ঘরের মাঠে সবগুলো ম্যাচ জেতা। আমার মনে হয়, সেটা করতে পারবো। আমি সিরিজ শুরুর আগেও বলেছি ঘরের মাঠে ভালো খেলার প্রত্যাশার কথা। এরপর বাইরে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা করা।
টাইগারদের এই হেডমাস্টারের ভাষ্য, আমাদের ভালো পেসার আছে যারা ভিন্ন কন্ডিশনে গিয়ে সাহায্য করতে পারে। আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররাও যেকোনো কন্ডিশনে গিয়ে খেলার সামর্থ্য রাখে। আমাদের তৈরি থাকতে হবে। বোর্ড কিছু ভালো ব্যাপার করেছে, যেমন ডিউক বল (এনসিএলে), ঘাসের উইকেটে খেলাচ্ছে (প্রথম শ্রেণিতে)। এটা পেসারদের ও পেসারদের খেলতে হবে, এমন পরিস্থিতি ব্যাটারদের উন্নতিতে সাহায্য করছে।