
তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় পুলিশের ইউনিফর্মের ২টি শার্ট, একটি প্যান্ট, পুলিশের বেল্ট ও ক্যাপ। উদ্ধার ইউনিফর্মের শার্টের মধ্যে একটিতে ডিএমপির মনোগ্রাম, অন্যটিতে সিএমপির মনোগ্রাম আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিএমপির উপকমিশনার (পশ্চিম) নিহাদ আদনান তাইয়ান জানান, গ্রেফতার মনির মিয়া ভ্যানগাড়ি চালান। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার কারণে মঙ্গলবার তার ভ্যানটি ট্রাফিক পুলিশ আটক করে। পরে আগ্রাবাদে ট্রাফিক পশ্চিমের উপ-কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে ভ্যানগাড়ির চালক মনির মিয়াকে চাচা দাবি করে ভ্যানগাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করে গ্রেফতার হন শাহনাজ আক্তার শান্তা। গ্রেফতার শান্তা ওই সময় নিজেকে পুলিশের নারী কনস্টেবল পরিচয় দেন।
‘তার কথাবার্তায় সন্দেহ হওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মৌলভীপাড়ার তার ভাড়া বাসা থেকে পুলিশের ইউনিফর্মের ২টি শার্ট, একটি প্যান্ট, পুলিশের বেল্ট ও ক্যাপ উদ্ধার করা হয়। দুই শার্টের মধ্যে একটিতে ডিএমপির, অন্যটিতে সিএমপির মনোগ্রাম রয়েছে।’তিনি আরও জানান, পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মনির মিয়া গ্রেফতার নারীর চাচা নন। তারা দুজন মিলে পুলিশ পরিচয় দিয়ে নানান সময়ে প্রতারণা করে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেফতার দুজনকে বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়।