নিউজ ডেস্ক: কাহালু উপজেলার মাগুড়া এম.ইউ আলিম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ সহ তিনটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।এছাড়াও তিনটি পদের বিপরীতে মাত্র ৭জন পরীক্ষার্থী আবেদন করলেও তিন জনের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাগুড়া এম ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ,নবসুষ্ট পদ উপাধ্যক্ষ ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের জন্য সরকারী বিধি বিধান লঙ্ঘন করেছেন এবং নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি গভর্নিং বডিদের কাছে গোপন করে তার পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদান করেছেন। উক্ত নিয়োগটি বাতিল চেয়ে মাগুড়া গ্রামের মৃত মাজেদ আলীর পুত্র মো: আব্দুল হাকিম গত ১২/০২/২০২৪ইং তারিখে কাহালু সহকারী জজ আদালত,বগুড়া জেলায় একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ১২৪/২০২৪অন্য। উক্ত মামলাটির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মাদ্রাসা নিয়োগ কমিটির ও সভাপতিদেরকে ২৫/০৩/২০২৪ইং তারিখে নিয়োগটি কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। কিন্তু আদালতের কারণ দর্শানোর নোটিশটির জবাব না দিয়ে আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে ও আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে গত ৩০/০৩/২০২৪ইং তারিখে মাদ্রাসা নিয়োগ কমিটি নিয়োগ পরিচালনা করেন যাহা আদালত অবমাননার শামিল।

মাগুড়া এম ইউ আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের দাতা সদস্য মো: আব্দুল মোত্তালিব জানান, ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ,নবসুষ্ট পদ উপাধ্যক্ষ ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের জন্য গত ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০২৪ এ বগুড়ার একটি আঞ্চলিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।আবেদন জমা দানের শেষ তারিখ ছিল ২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০২৪।ঐ সময়ের মধ্যে ৭জন আবেদন করেন। তাদের মধ্যে থেকেই ৩জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের সময় মবাই কিছু না কিছু নিয়ে থাকে। আমরাও তাই নিয়েছি। মোট কত জনের কাছ থেকে কত টাকা নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আপনাকে কিছু বলতে পারবো না।তবে এই টাকা শুধু মাদ্রাসারসভাপতি একা নেয়নি। এই টাকার বড় একটি অংশ প্রভাবশালী মহলদের দিতে হয়েছে।কারা কারা এই টাকার ভাগ নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি পরে আপনাকে তাদের নাম বলবো।