
গাইবান্ধার জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বেলকা খেয়াঘাটে সেতুর কাজ শেষ না হওয়ার আগেই দেবে যাওয়া সেই সেতুটি অবশেষে ভেসে গেল তিস্তার স্রোতে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা বাজার খেয়াঘাটের তিস্তার শাখানদীর ওপর অবস্থিত সেতুটি অর্ধেক গত মঙ্গলবার স্রোতে ভেসে যায়। ৯ মাসের ব্যবধানে প্রোতে ভেসে গেল ৩০ লাখ টাকার সেতু। উপজেলার বেলকা ও হরিপুর ইউনিয়নের ২০ হাজার চরবাসির স্বপ্ন যেন স্বপ্নই থেকে গেল।
আবারও নৌকায় তাদের একমাত্র ভরসা। চরবাসির দাবির প্রেক্ষিতে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের এডিবির অর্থ হতে কংক্রিটের খুঁটির উপর কাঠের সেতু নির্মাণের জন্য অনুমোদিত প্রাকলতি মূল্য ২৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন উপজেলা পরিষদ। অনিয়মের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় সেতুটির নির্মাণ কাজ। কংক্রিটের খুঁটির উপর কাঠের পাটাতন বসানো সেতুটি দেবে যাওয়ার চার মাসের মাথায় গত সোমবার স্রোতে ভেসে যায়।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নাফ জানান, তিনি সবে মাত্র যোগদান করেছেন। তার দাবি যে ভাবে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা ভুল ছিল। তিস্তার শাখানদীর ওপর কাঠের ব্রিজ নির্মাণের জন্য যে ধরণের নকশা করার কথা তা হয়নি। সে কারনে সেতুটি প্রোতে ভেসে যায়। এ ব্যাপারে উপজেলা নিবাহী অফিসার মো. নাজির হোসেন জানান, উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।