
দুলাল সূত্র ধর এক আতংকের নাম, তার কথা বললে মনে হবে ভেজা মাছ উল্টাতে পারেন না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত অনেক সিনিয়র স্টাফ নার্স জানান, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে তার ভয়ে থাকত সকল নার্স তার মতের বিপক্ষে গেলে করা হত নানা ভাবে হয়রানি রোষ্টার পরিবর্তন সহ মানুষিক টর্চারিং। তার হুকুমে চলত তৎকালীন সেবা তও্বাবধায়ক শাহানারা আক্তার। আরেক তত্ত্বাবধায়ক বশির শিকদার তাদেরকে তার কথায় চলতে বাধ্য করা হতো। কথায় কথায় এমপি বাহার, ও শহীদ এর ভয়ভীতি প্রদর্শন করত, তার রয়েছে সিন্ডিকেট বাহিনীতে ছিলো আওয়ামী ফ্যাসিবাদী
কিছু নার্স ও ৩য় শ্রেনী কর্মচারী। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্সদের বাধ্য করেন শান্তি সমাবেশে যেতে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার সিন্ডিকেটের লোকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা, সভা সমাবেশ করতো এবং ফ্যাসিবাদী সরকারের বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তার পদচারণ ছিল।
জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহানগর, কুমিল্লা দুলাল সূত্র ধর ছিলেন স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক। তিনি ফ্যাসিবাদ সরকারের একজন কট্টরপন্থী কর্মী ছিলেন।
সরকার নির্দেশনা মোতাবেক ২০২০ সালে কোভিড রোগীদের সেবা যে সকল নার্স সরাসরি সেবায় নিযুক্ত ছিলেন তাদের মূল বেসিকের ২ টি বেসিক প্রদান করা হয়,
খবর নিয়ে যানা যায় তিনি জরুরি বিভাগে ডিউটি করতেন কোন এক অন্দর মহলের আর্শিবাদে তিনি ডিউটি না করে ও সরকারের টাকা আত্নস্বাদ করেন। জরুরী বিভাগ ছিল তার কুর্কীতির আড্ডাখানা। এখানে বসে তিনি ফন্দি করতেন কাকে কিভাবে হয়রানি করা যায়।
দুলাল সূত্রধর ফাঁসিস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর নিরব একটি ওয়ার্ডে চলে যান(মানষিক ওয়ার্ড) দুলাল সূত্রধর এখন গাঁ ঢাকা দিয়ে চলছেন।
এখন ও এই ফ্যাসিষ্ট দুলাল সূত্রধর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিভাবে বহাল আছেন,তবে কি এত রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচার দোষের মুক্ত হবে না আমাদের বাংলাদেশ?
ক্ষোভ প্রকাশ করছে সকল নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।