
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এর অধীনস্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়। অতি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা দপ্তর যদি বহিরাগত ব্যাক্তিদারা পরিচালনা করা হয়, তাহলে কি আইনবহির্ভূত নয়?
যদি আইনবহির্ভূত হয়, তাহলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসটিতে নিয়োগ বিহীন ব্যক্তিরা কি ভাবে অফিসিয়াল কাজে নিয়োজিত রাখা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর উপজেলাটিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পায় (পিআইও) মোঃ মশিউর রহমান।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে, দেখা যাচ্ছে, মোঃ মশিউর রহমান নিয়োগ বিহীন ৪ জন ব্যাক্তিকে এখন অফিসটির কর্তাবাবু বেশে অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছেন।
নিয়োগ বিহীন অবৈধ ব্যাক্তিরা হলেন, পিআইও মশিউর রহমানের পূর্বের স্টেশনের ব্যক্তিগত দালাল সুমন মিয়া, বর্তমান কর্মস্থলের ব্যক্তিগত পি.এস সাইফুল ইসলাম, শামিম মিয়া ও নাদিম মিয়া।
এরা অফিসটির ইন্টারনাল বিষয় গুলো দেখা সোনা করার দায়িত্ব দিয়েছেন পিআইও মশিউর রহমান।
বিভিন্ন প্রকল্পের ইমেইল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ও দেখানোর দায়িত্বে আছেন শামিম।
বিভিন্ন প্রকল্পের ফটোকপি করাসহ প্রকল্প ফাইল সাক্ষর করার দায়িত্বে আছেন নাদিম।প্রকল্পে অর্থ বানিজ্যের দায়িত্বে আছেন সাইফুল ইসলাম।
এদের ৩ জনের হেডঅপ ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বে আছেন পিআইও মশিউর রহমানের পূর্বের স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিগত পি.এস সুমন মিয়া।
এদের কে অফিসে বসিয়ে রেখে নিজস্ব মনগড়া মতন কাজ করছেন (পিআইও) মশিউর রহমান। শুধু তাই নয়, অফিসের ব্যক্তিগত ওয়েব সাইডে ব্যবহার করা ফোন নাম্বারে কল সেবা থেকে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষদের বঞ্চিত রেখেছেন এই কর্মকর্তা।
এদের ৪ জনের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, এরা সরকারি অফিসটির কেউ নয়।
তারা জানান পিআইও ডাকে তাই তারা আসেন, এর বাহিরে কিছুই না।
অবৈধ ব্যক্তিদ্বারা অফিস পরিচালনার বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমানের সাথে ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে, তাকে পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে ফোন কল সেবা ও নিয়োগ বিহীন অবৈধ দালালদের উত্খাত করতে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।