
গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গোপালপুর গ্রামে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ইভটিজিং। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইভটেজার কর্তৃক হামলায় মারাত্মক আহত করা হয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা দেড় লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। স্কুল পড়ুয়ার ফুফা ও ফুফাতো ভাই মারাত্মক আহত হয়ে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ব্যাপারে আরেক ফুফাতো ভাই বিপুল মিয়া বাদি হয়ে ১০ জনকে আসামি করে গাইবান্ধা থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গোপালপুর গ্রামের জনৈক শফিকুল ইসলামের সমন্ধির মেয়ে ও রহমতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী গত ১০ এপ্রিল বিকালে তার বাড়িতে বেড়াতে আসে। উক্ত মেয়ে আসার সময় সবুজ মন্ডলের বাড়ির সামনে আসা মাত্র সবুজ মন্ডল, মোস্তফা কামাল লিংকন, জিম মন্ডলগণ এসে তার পথরোধ করে তাকে আজেবাজে কথা বলে। এসময় সবুজ মন্ডল তাকে প্রেম- ভালোবাসার প্রস্তাবের নামেও উত্যক্ত করে। সে মুখ বুজে সহ্য করে ফুফার বাড়িতে আসে। পরদিন ১১ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে ফুফা শফিকুল ইসলাম ও ফুফাতো ভাই রবিউল ইসলাম এ বিষয়ে জানানোর জন্য সবুজ মিয়ার বাড়ীতে যাওয়ার পথে প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম মন্ডলের বাড়ীর সামনে মান্নানের দেখা পায়। তাকে ঘটনার বিষয়ে জানালে তার সাথে শফিকুল ইসলাম ও রবিউল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মান্নান চিৎকার করে বাড়ির লোকজনকে ডাকলে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এসে তাদের আক্রমণ করে মারাত্মক আহত করে। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে শফিকুল ও রবিউলকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শফিকুল ইসলামের আরেক ছেলে বিপুল মিয়া বাদি হয়ে একই গ্রামের মোস্তফা কামাল লিংকন, সবুজ মন্ডল, জিম মন্ডল, মোহাম্মদ আলী মন্ডল, আব্দুল মান্নান, আব্দুল হান্নান মন্ডল, মমিনুল ইসলাম, ফিরোজ মন্ডল, সেলিম মন্ডল, শাড়ু মন্ডল ওরফে ছোটবাবু ও হারুন মন্ডলসহ ১০ জনকে আসামি করে গাইবান্ধা থানায় মামলা দায়েরের উদ্দেশ্যে অভিযোগ দাখিল করেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।