
বাংলাদেশ বেতারের একজন নারী অনুষ্ঠান উপস্থাপিকার ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু বেতার কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টো ঐ নারী এনাউন্সারের পক্ষ নিয়ে নানারকম যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করছেন বেতার কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে কর্মরত ঊর্ধ্বতন মহলের বেশ কয়েকজন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে মেনে নিতে পারছেন না। তারা বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পদোন্নতি পেয়েছেন। এখন তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন তাদের নেত্রীর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার কারণে।
বেতারে ডিউটি কমিয়ে দেওয়া কিংবা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ না পাওয়ার ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন শিল্পী এবং কলাকুশলী জানান, যেসব অ্যানাউন্সস্যারদের সাথে ঊর্ধ্বতন অফিসারদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সত্য ঘটনা নিয়ে যত অভিযোগই করা হোক না কেন সেটা আমলে নেয়া হয় না।
বাংলাদেশ বেতারের মতো একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে হাতেগোনা কয়েকজনই অনুষ্ঠান করবে আর বাকিরা শুধু স্টেশন কল দিয়েই বছরের পর বছর তাদের এনাউন্সমেন্টের বয়স পার করবে- এই বিষয়টিকে খুবই দুঃখজনক এবং বিব্রতকর বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।