1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
রাশিয়ার সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের বড় মিসাইল চুক্তির পথে ভারত - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

রাশিয়ার সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের বড় মিসাইল চুক্তির পথে ভারত

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সতর্কবার্তা আসার মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে বড় ধরনের প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাশিয়া থেকে ৩০০টি দূরপাল্লার আর-৩৭এম ‘এয়ার-টু-এয়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত ভারতীয় বিমানবাহিনীর রুশ নির্মিত সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হবে।

আর-৩৭এম হলো অত্যন্ত শক্তিশালী দীর্ঘপাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, যার কার্যকর পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। সামরিক মহলে এটি ‘অ্যাওয়াক্স কিলার’ হিসেবে পরিচিত। মূলত যুদ্ধক্ষেত্রের ‘উড়ন্ত রাডার’ বা এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা থাকায় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশযুদ্ধের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। ন্যাটোর সামরিক পরিভাষায় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘এএ-১৩ অ্যাক্সহেড’ নামে পরিচিত।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি বেশ উন্নত; এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.২ মিটার এবং ওজন প্রায় ৬০০ কিলোগ্রাম। এটি অত্যন্ত উচ্চগতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে যেতে সক্ষম এবং এতে প্রায় ৬০ কিলোগ্রাম ওজনের ওয়ারহেড যুক্ত রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানের সঙ্গে এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দৃশ্যসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

তবে কেবল ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লাই যুদ্ধের জয় নিশ্চিত করে না। এর কার্যকারিতা নির্ভর করে রাডার, ডেটা-লিংক এবং লক্ষ্য শনাক্তকরণ ব্যবস্থার সমন্বিত ব্যবহারের ওপর। ভারত এর আগেও রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রমাণ। ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের মতো যৌথ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এই নতুন চুক্তি ভারতের আকাশযুদ্ধ সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, এই ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্রের সংযোজন ভারতের আকাশসীমা সুরক্ষায় এবং আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। রাশিয়ার সঙ্গে এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি কেবল সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ককেও আরও শক্তিশালী করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ কারণে অস্ত্রটিকে অনেক সময় ‘অ্যাওয়াক্স কিলার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এই নামটি মূলত এর সম্ভাব্য ভূমিকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব বিমান অনেক দূর থেকে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশীয় লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে এবং নিজস্ব বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights